অবশেষে সম্রাট গ্রেফতার

Comments

অবশেষে আত্মগোপনে থাকা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রাম থেকে আটক করেছে র‌্যাব।

রোববার, ৬ অক্টোবর, ২০১৯, ভোরে সম্রাটকে আটক করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা যুবলীগের আরেক নেতা আরমান আলীকেও এ সময় আটক করেছে র‌্যাব।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সূত্র খবরটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে সম্রাটকে আটকের পর র‌্যাব-৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগের কারণে যুবলীগ নেতা সম্রাটের নাম আলোচনায় আসে। অভিযানে যুবলীগ, কৃষক লীগ ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা র‍্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। কিন্তু সম্রাট ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। অভিযান শুরুর প্রথম তিনদিন সম্রাট দৃশ্যমান ছিল এবং ফোনও ধরত। কয়েকদিন কাকরাইলের ভূঁইয়া ম্যানশনে তাঁর ব্যক্তিগত কার্যালয়ে শতাধিক যুবক তাঁকে পাহারায় অবস্থান করে। সেখানেই সবার খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পর অন্যত্র সরে যায় সম্রাট। এরপর তাঁর অবস্থান নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়।

১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করে র‍্যাব। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নেতারাই মূলত এই ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রথম দিন ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযান চালায় র‍্যাব। এরপরই গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ক্লাবটির সভাপতি খালেদ হোসেন ভুঁইয়াকে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক অঙ্গনের লোকেরা মনে করেন, ঢাকায় ক্যাসিনো ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক সম্রাট।

অভিযান শুরুর পর ২২ সেপ্টেম্বর সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত একটি আদেশ দেশের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে পাঠানো হয় এবং তার ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়।

বাঙালীয়ানা/এসএল

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.