ফরিদপুরের চাঁদেরহাট প্রতিরোধ যুদ্ধ । মাসুদ রানা

Comments

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবি নস্যাৎ করার লক্ষ্যে ১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমান সহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ সহ সমগ্র জনতা আন্দোলন করেন। এই আন্দোলনের পরিপেক্ষিতে সৃষ্টি হয় ১৯৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান। গণঅভ্যুত্থানের কারণে ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রয়ারি মামলা প্রত্যাহার করে নেয়।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৬৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক কে. এম ওবায়দুর রহমানের নেতৃত্বে নগরকান্দার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ ১৯৬৬ সালে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’র সমর্থন, ১৯৬৮ সালে আগরতলা মামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগে সমাজকল্যাণ সম্পাদক কে. এম ওবায়দুর রহমান এবং প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগে প্রার্থী এমপিএ আমিন উদ্দিন আহমেদ।

২০ এপ্রিল, ১৯৭১, কে. এম ওবায়দুর রহমান এবং তৎকালীন ফরিদপুর সদর মহকুমার আওয়ামীলীগের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান গোলজার আহম্মেদ, লোকমান মিয়া কন্ট্রাক্টর ও মজনু সহ একদল ছেলেদের নিয়ে গোয়ালন্দ ঘাট ও নাড়ারটেক চরে মুক্তিযোদ্ধাদের ডিফেন্স অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করে। রাজবাড়ী গেলে এম.পি.এ কাজী হেদায়েত হোসেন তাদের সাথে গোয়ালন্দ যায়। সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা জানায় তারা পাকিস্তানি সেনাদের যেকোনো ধরনের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। কিন্তু তাদের হাতে প্রয়োজনমত গুলী নেই। কাজেই ফরিদপুর হতে রাইফেলের গুলী সরবরাহ করতে হবে। ওবায়দুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতারা প্রয়োজনীয় গুলী পাঠানোর আশ্বাস দেন। কিন্তু নেতাকর্মীরা সেখানে থাকা অবস্থায়ই পাকিস্তানি সেনারা বিমানযোগে কয়েকটা বোমা নিক্ষেপ করে। যদিও বালির মধ্যে পড়ায় বোমা বিষ্ফোরিত হয়নি।

২১ এপ্রিল ভোর রাতে পাকিস্তানি সেনাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ সংঘঠিত হয়। প্রতিরোধ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গুলি না থাকায় পাকিস্তানি সেনাদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে পিছু হটতে বাধ্য হয়। পাকিস্তানি সেনারা ক্ষিপ্ত হয়ে বাহাদুরপুর ও বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে আক্রমণ করে ৮-১০জন গ্রামবাসিকে হত্যা করে। ফরিদপুর শহরে প্রবেশ করে ফরিদপুরের হিন্দুদের আশ্রম শ্রীঅঙ্গনে হামলা চালিয়ে ৮ জন সাধুকে হত্যা করে।

কে. এম ওবায়দুর রহমানের নির্দেশে ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধারা নগরকান্দা পুলিশ ফাঁড়ি আক্রমণ করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র হস্তগত করে। কে. এম ওবায়দুর রহমান নগরকান্দা থানা হতে নির্বাচিত এমপিএ আমিন উদ্দিন আহমেদ ও আওয়ামী লীগ নেতা বকুলের সাথে আলাপ করে ২৩ এপ্রিল মো. সোলায়মান আলী ও তার বড় ভাই আব্দুল আজিজ মোল্লাকে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়ার অনুরোধ করেন। ২৪ এপ্রিল স্থানীয় সূর্য মিয়া, মাজেদ মোল্লাসহ আট-দশ জনকে নিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল আজিজ মোল্লা ও প্রধান উপদেষ্টা হন সোলায়মান আলী।

নগরকান্দায় পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতা করার জন্য এপ্রিল মাসে ৪টি শান্তি কমিটি গঠিত হয়েছিল। প্রথম দল গঠিত হয়েছিল জাফর ও তার ভাই খোকনের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের বেশি সদস্য নিয়ে। দ্বিতীয় দল গঠিত হয়েছিল আবুল কালাম আজাদের (ওরফে বাচ্চু রাজাকার) নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের বেশি সদস্য নিয়ে। তাদের কাছে ১০-১২টি রাইফেল ছিল। তৃতীয় বাহিনী গঠিত হয়েছিল তালমার বাদশা শিকদারের নেতৃত্বে। তারা কে. এম ওবায়দুর রহমানের বাড়ি বেশ কয়েকবার হামলা চালায় এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। চতুর্থ দল গঠিত হয় ভাঙ্গা থানার কুটি মিয়া, নান্নুমিয়া, নুরুমিয়া, শাহজাহান, হারুন মেম্বারকে নিয়ে। তারা নগরকান্দার চর-যশোরর্দী ও আসফরদি গ্রামে বাড়িঘরে লুট, হামলা ও গণহত্যা চালায়।

৩০ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী চর-ঘশোহরদি গ্রামে ব্যাপক গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। ৪ মে প্রায় ৪০ জন মুক্তিযোদ্ধা পুনরায় নগরকান্দা থানা আক্রমণ করে অস্ত্র হস্তগত করে এবং পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী ইন্সপেক্টরকে হত্যা করে। ১৫ মে পাকিস্তানিরা তাদের সহযোগীদের নিয়ে আসফরদি গ্রামে গণহত্যা চালায়। ২৮ মে মুক্তিযোদ্ধারা কাটাখালিতে রাজাকারদের উপরে আক্রমণ করে তাদের কাছ থেকে একটি রাইফেল উদ্ধার করে।

২২ এপ্রিল, ৪ মে ও ২৮ মে বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি সেনা ও পাকিস্তান পক্ষপাতিদের পরাজয় পাকিস্তানি বাহিনী মানতে পারেনি। তাই তারা চাঁদহাটে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর আক্রমণের নীল নকশা প্রণয়ন করে।

২৯ মে আনুমানিক সকাল সাড়ে সাতটায় গোপন তথ্যের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার মো. আব্দুল আজিজ নিশ্চিত হন ৪জন রাজাকারসহ পাকিস্তানি সেনার একটি দল চাঁদহাটে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে। আব্দুল আজিজ মোল্লা পাকিস্তানি সেনাদের মোকাবিলা করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পরমার্শ করেন। তখন আজিজ মোল্লার নেতৃত্বে ছিল মাত্র ১০-১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা। কমান্ডার আব্দুল আজিজ মোল্লা বুঝতে পারেন গ্রামবাসীর সহযোগিতা ছাড়া পাকিস্তানি সেনাদের মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। তাই তিনি বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঠিয়ে গ্রামবাসীকে তাদের দেশীয় অস্ত্র (ঢাল, সরকি, রামদা, বল্লম, কাছি, নাইংলা, ঝুপি ইত্যাদি) নিয়ে সহযোগিতা করতে বলেন এবং তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাসীকে ৪ ভাগে বিভক্ত করে চতুর্দিক হতে আক্রমণের নির্দেশ দেন।

প্রথম দল : কমান্ডার আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে দমদমের দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থান করে।

দ্বিতীয় দল : সহকারী কমান্ডার মো. আলতাফ হোসেন খানের নেতৃত্বে দমদমের পশ্চিম পার্শে¦  অবস্থান করেন।

তৃতীয় দল : গ্রুপ কমান্ডার ইসরাইল ফকিরের নেতৃত্বে শ্রীবরদী গ্রামের মাথায় অবস্থান করেন।

চতুর্থ দল : সাধারণ গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে রাইফেল ও গ্রামবাসীর কাছে দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সরকি, রামদা, বল্লম, কাছি, নাইংলা, ঝুপি ছাড়া কিছুই ছিল না।

সকাল আনুমানিক ৯টার সময় পাকিস্তানি সেনারা দমদমের পাড়ে ঘোড়ামাড়ার বিলের পাশে আসলে কমান্ডার মো. আব্দুল আজিজ মোল্লার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের একসাথে করতে শুরু করেন। গুলিবর্ষণের সাথে সাথে গ্রামবাসী চতুর্দিক হতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ‘জয় বাংলা’ আওয়াজ করতে থাকে। এতে পাকিস্তানি সেনারা হতভম্ব হয়ে পড়ে। পাকিস্তানি সেনারা পশ্চাদপসরণ করতে করতে বাগাট ধোপা বাড়ির নিকট পৌঁছায়। মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় অবস্থান করে গুলি বর্ষণ করার কারণে পাকিস্তানি সেনারা রাস্তায় উঠতে না পেরে মাঠের মধ্য দিয়ে ছোট পাইককান্দি গ্রামের দিকে পিছু হটতে থাকে এবং কালি গাঙ্গের (নদী) নিকট পৌঁছায়। কালি গাঙ্গে পানি থাকায় পাকিস্তানি সেনারা সুবিধা করতে না পেরে রাজাকার জাফর মিয়াকে অনুসরণ করতে করতে ঈশ্বরদী গ্রামের দিক অগ্রসর হতে থাকে।

ঈশ্বরদী গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়ার রাস্তায় মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ব্লক করে গুলি চালাতে থাকেন। পাকিস্তানি সেনারা কোনো দিক না পেয়ে দিঘলিয়ায় নেমে পড়ে। বিল দিঘলিয়া হচ্ছে ছোট পাইকাকন্দি, শেখরকান্দি, কোদালিয়া, ঈশ্বরদী এই চারটি গ্রামের মাঝে অবস্থিত বিশাল বিল। এখানে পানি থাকায় পাকিস্তানি সেনারা তাদের বুট নিয়ে পানির মধ্যে আটকে পড়ে। সাধারণ গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা চার দিক হতে আক্রমণ শুরু করে বিল দিঘলিয়ায় ১৭ জন পাকিস্তানি সেনা ও এক জন রাজাকারকে হত্যা করে। এ সম্মুখ যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর ১ জন ক্যাপ্টেন, ২ লেফটেনেন্টসহ ২৯ জন সৈন্য এবং জাফর মিয়া নামের ১ জন রাজাকার নিহত হয়। এই যুদ্ধে কোনো মুক্তিযোদ্ধা শহীদ বা আহত না হলেও ঢাল, বল্লম, সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসা ৫ জন গ্রামবাসী শহীদ হন।

যে সকল গ্রামের সাহসী গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের মধ্যে কোদালিয়া শহীদনগরের কোদালিয়া, ঈশ্বরদী, ছোট পাইককান্দি, শেখরকান্দি, পুরাপাড়ার পুরাপাড়া, বাগাট, ঘোনাপাড়া এবং চর-ঘশোরদীর দহিসারা, নাগার দিয়া ও চাঁদহাট।

রাজাকারদের মধ্যে জাফর রাজাকার নিহত হয়। জাহিদ হোসেন খোকন মিয়ার কানে গুলি লাগে এবং বাকি ২ জন পালিয়ে যায়। যুদ্ধে ৫ জন শহীদের মধ্যে মনোয়ারা বেগম গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতে গিয়ে আহত হন এবং পরে মৃত্যুবরণ করেন।

তারেক মাসুদ তাঁর প্রামাণ্য চিত্র ‘মুক্তির কথা’য় ১৭ জন পাকিস্তানি সেনার নিহতের কথা উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় জনগণের কাছে তথ্য নিয়ে জানা যায় তিনি শুধু বিল দিঘুলিয়ার যে ১৭ জন নিহত হয়েছে তাদের সংখ্যা তুলে ধরেছেন। পার্শ্ববর্তী এলাকার  শহীদের সংখ্যা উল্লেখ করেননি। ফরিদপুর আলিপুর কবরস্থানে ১৭ জন পাকিস্তানি সেনাকে কবর দেওয়া হয়েছিল।

সেই যুদ্ধে কোন মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা আহত হননি। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করতে এসে ৫ জন গ্রামবাসী শহীদ হন। এদের মধ্যে ৩ জন ছিল কোদালিয়া শহীদনগরের। বাকী  ২ জন  বাগাট ও নগুরদিয়ার। তারেক মাসুদ ‘মুক্তির কথা’য় কোদালিয়া শহীদনগরের ৩ জনের কথা উল্লেখ করেছেন, বাকী ২জনের কথা উল্লেখ করেননি।

‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা’র ১ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখের একটি অনলাইন রিপোর্টে  ২৯ মে ২৮ জন পাকিস্তানি সেনা নিহতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় জনগণ, তৎকালীন যুদ্ধের কমান্ডার আলতাফ হোসেন খান ও শহীদ পরিবারে তথ্য অনুসারে ২৯ মে ২৯ জন পাকিস্তানি  সেনা ও ১ জন রাজাকার (জাফর রাজকার) নিহত হয়।

চাঁদেরহাট যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করতে গিয়ে শহীদ হন- ঈশ্বরদী গ্রামের নূর মাতুব্বর ও মনোয়ারা বেগম, ছোট পাইকান্দি গ্রামের জলিল মোল্ল্যা, দহিসারা গ্রামের আলেপ বিশ্বাস এবং নুগুরদিয়া গ্রামের আবু বক্কর সরদার।

এই যুদ্ধটি ছিল নগরকান্দার পাকিস্তানি সেনাদের সাথে সংঘটিত বড় যুদ্ধ, যেটি প্রায় ৫ ঘন্টা স্থায়ী হয়েছিল।

২৯ মে পাকিস্তানি বাহিনীর ২৯ জন সৈন্য ও ১ জন রাজাকারকে হত্যা করায় পাকিস্তানি সেনারা নগরকান্দার মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাসীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ৩০ মে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার করে পাকিস্তানি সেনারা নগরকান্দা আসতে থাকে এবং গ্রামবাসি ও মুক্তিযোদ্ধাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ৩০, ৩১ মে ও ১ জুন পাকিস্তানি বাহিনী নগরকান্দায় ব্যাপক নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়ে দুই হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করে।

চাঁদেরহাট প্রতিরোধ যুদ্ধে ব্যবহৃত কিছু দেশীয় অস্ত্র (ঢাল, সরকি, রামদা, বল্লম, কাছি, নাইংলা, ঝুপি ইত্যাদি) বর্তমানে ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কইভ ও জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

লেখক পরিচিতি:
মাসুদ রানা, কর্মকর্তা, গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র, খুলনা।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.

About Author

বাঙালীয়ানা স্টাফ করসপন্ডেন্ট