এবিসি’র সিডনি সদর দফতরে পুলিশের হানা

Comments
২০১৭ সালের ১১ জুলাইয়ে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সচিবের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ‘ক্লাসিফায়েড’ নথি প্রকাশের অভিযোগে দু’জন প্রতিবেদক ও সংবাদ পরিচালক গ্যাভেন মরিসের বিরুদ্ধে তল্লাশি পরোয়ানা থাকায় অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম এবিসি’র সিডনি সদর দফতরে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

তবে এবিসি’র এ তল্লাশির প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ‘আফগান ফাইলস’ নামে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সিরিজ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনগুলোতে আফগানিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ বাহিনীর অসদাচরণ ও বেআইনিভাবে হত্যার অভিযোগ উন্মোচিত হয়। ওই সিরিজ প্রতিবেদনের জের ধরেই অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

এবিসি আরও বলছে, গোপনীয় শতাধিক নথির সূত্র ধরে ওই প্রতিবেদনের সিরিজ প্রকাশিত হয়েছিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বুধবার, ৫ জুন, ২০১৯, সকালে এবিসি’র সদর দফতরে এই অভিযানের আগে মঙ্গলবার নিউজ করপোরেশনের এক সাংবাদিকের বাড়িতেও অভিযান চালায় পুলিশ। এ ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন পুলিশের দুই দিনের এই অভিযানকে ‘অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যান্য সংগঠন ও মানবাধিকার গ্রুপগুলোও এসব অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে।

পুলিশ আরও বলছে, মঙ্গল ও বুধবারের অভিযান পরস্পর সম্পর্কিত নয়। তবে উভয় ক্ষেত্রেই ‘ক্লাসিফায়েড’ নথি প্রকাশের অভিযোগটি রয়েছে। এটি দেশটির ফৌজদারি আইন ১৯১৪-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ।

বাঙালীয়ানা/এসএল

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.