কুড়িগ্রাম কেন দারিদ্র্যের শীর্ষে ?

Comments
সোমবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটি ‘কুড়িগ্রাম কেন দারিদ্র্যের শীর্ষে?’ এই প্রশ্ন রেখে একটি মানববন্ধন করে। এতে কুড়িগ্রাম জেলাবাসী ছাড়াও ঢাকাস্থ বেশ কিছু সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে। রাষ্ট্রচিন্তা, মৌলিক বাংলা, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম, হিউম্যানিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ বেশ কিছু সংগঠন এতে সংহতি জানায়।
মানববন্ধনে বক্তাগণ দাবি করেন, ভারতের ৩-৪ টি জেলার সীমান্ত কুড়িগ্রামের সাথে। এই ভৌগোলিক কারণে কুড়িগ্রাম জেলা ভারতের সেভেন সিস্টার্সের কারখানায় পরিণত হতে পারত। ব্রহ্মপুত্রে প্রাপ্ত খনিজ দিয়েই বেশ কিছু ভারী শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব ছিল। সম্ভব ছিল নদনদীময় কুড়িগ্রাম জেলাকে পর্যটন নগরীতে পরিণত করা। ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদনদীগুলোর চরে যেসব সুস্বাদু বাদাম ও কালাই পাওয়া যায়, তা সরাসরি ভোক্তার হাতে পৌঁছুলে আর দরিদ্র মানুষ থাকার কথা না।
নদনদীর তীরে বিস্তীর্ণ অনাবাদী জমিতে কয়েক হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, যা দিয়ে পুরো উত্তরবঙ্গের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। উল্টো কুড়িগ্রামের মানুষ ক্ষুদ্র ঋণের জাল ছিঁড়তে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। অর্ধ যুগ ধরে ঢাকা টু চিলমারী রুটে ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেস, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে রৌমারী পর্যন্ত এবং কুড়িগ্রাম থেকে সোনাহাট স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণের দাবিতে আন্দোলন করে এলেও তাদের আগেই অনেক জেলায় নতুন রেল লাইন ও একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন পেয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি কলামিস্ট নাহিদ হাসান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রকিব মুহাম্মদ হাসানের সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জুরাইনের পরিবেশকর্মি মিজানুর রহমান, রাষ্টচিন্তার সংগঠন সাদিয়া জেরিন পিয়া ও মাহবুবুর রহমান, ঢাকাস্থ কুড়িগ্রাম সমিতির সহ সভাপতি এম সলিমুল্লাহ ও মহাসচিব সাইদুল আবেদীন ডলার, কুড়িগ্রাম সোসাইটি, ঢাকার মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার শাহিন চিশতি ও সহ সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম পারভেজ, প্রবীণ সাংবাদিক আমান উদ দৌল্লা,
সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি রাইহান কবির রনো, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাহাদী হাসান ফারুকী ও দপ্তর সম্পাদক মারুফ আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.

About Author

বাঙালীয়ানা স্টাফ করসপন্ডেন্ট