গতিময় বোলিং এ ক্রাইস্টচার্চেও ভুগেছে বাংলাদেশ

Comments

ধারনায় ছিলো ক্রাইস্টচার্চের হেগলী ওভাল হবে ব্যাটিং সহায়ক। কিন্তু টিপিক্যাল নিউজিল্যান্ড বোলারদের সুইং আর গতিময় বলের সামনে বিশ্বের খুব কম শক্তিই আতিথেয়তা নিয়ে দাঁড়াতে পেরেছে।

ম্যাচে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো খুব বেশি। কিছুক্ষন বন্ধ থেকেছে খেলাও। আবহাওয়ার এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্তে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করেছে হেনরি-বোল্টরাও। ঠান্ডা আবহাওয়ায়, গতি আর সুইং এ তামিম-লিটনদের ব্যাটিং করাতে কাঁপন ধরিয়েছেন এই দুজনে। সেখানে রান তোলার তাগিদে বোল্টকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ৩০ গজের মধ্যেই ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন লিটন কুমার দাস। শুরু থেকে আরেক প্রান্তে নড়বড়ে থাকা তামিমের সঙ্গী তখন সৌম্য সরকার। গত ম্যাচের মতই সৌম্যের দেখেশুনে শুরু করাটা আশা জাগাচ্ছিলো যখন তখনই হেনরির বলে এলবিডব্লিউতে নেই তামিম।

GettyImages

মুশফিকের সাথে সৌম্যের কিছুটা সাজানো গোছানো ব্যাটিং তখন চলছে। দু-এক করে ইনিংস গোছানোর সময় সৌম্য সরকার স্লিপে ক্যাচ দিলেন এক বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং কৌশলে। পরে মুশফিক-মিথুনের ৩৩ রানের জুটি। মুশফিক ২৪ রানে বিদায় নেন, বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও। ৯৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ধুকতে থাকা দলে তখন ভরসা হলেন মিথুন-সাব্বির। এই জুটির খাতায় যোগ হলো আরও ৭৫ রান। আগের ম্যাচের ধারাবাহিকতায় মিথুনের আবারও ৫০, থেমেছেন ৫৭ তে। দলকে ২০০ পার করিয়ে বিদায় নিয়েছেন সাব্বিরও। সাব্বিরের ৪৩ যেনো ইঙ্গিত দিচ্ছে সাব্বিরের সাব্বির হয়ে ফিরে আসার। কিন্তু এর পরেই সাব্বির, মিরাজ ও সাইফুদ্দীনের দ্রুত বিদায়ে দলকে থামতে হয় দ্রুতই। শেষ উইকেটে মাশরাফি ও মুস্তাফিজের জুটি যোগ করে ১৫ রান।

শেষ খবর, বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১১ রান। ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন মুস্তাফিজ।

বাঙালীয়ানা/জেএইচ

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.