দিনটা সাকিবের। দিনটা বাংলাদেশের। সাকিবের সেঞ্চুরিতে ভর দিয়ে প্রত্যাশিত জয় পেলো বাংলাদেশ প্রত্যাশিত ভাবেই।
৩২১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবাল আর সৌম্য সরকারের স্বাভাবিক শুরু। তামিমও ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। ওপেনিং এ অর্ধশতকের জুটি।
জুটি ভাঙে সৌম্য’র ঠেলে দেওয়া বল ক্রিস গেইল তালুবন্দী করলে। ওয়ানডাউনে নামা সাকিবের সাথে তামিমের জুটিও বাংলাদেশকে জয়ের দিকেই রেখেছিলো। হাফসেঞ্চুরি থেকে দুই রান দূরে থাকতে রান আউটে কাটা পড়েন তামিম। তবে আউট হওয়ার ধরনে তামিমের আক্ষেপ থাকতেই পারে। কেননা তার আত্মবিশ্বাসে বড় রানের আভাসটা ছিলো।
মুশফিক বিদায় নেন দ্রুত। এরপর ব্যাট হাতে নামেন মিথুনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পাওয়া লিটন। ঝলমলে এক ইনিংসে দলকে জয় এনে দিয়ে যেনো বোঝালেন কেনো তাকে দলে দরকার। লিটন অপরাজিত ছিলেন ৯৪ রানে।
সাকিবের কথা বলতে হবে একটু আলাদা ভাবে। বল হাতে নিয়েছিলেন দুই উইকেট। ব্যাট হাতে মাঠে নেমে প্রথম ২৪ রান করে অর্জন করেন ছয় হাজারী ক্লাবের টিকিট। সেই ২৪ রানকে শতক বানিয়ে খেলেছেন অপরাজিত ১২২ রানের ইনিংস। ব্যাক টু সেঞ্চুরি করে ভাগ বসালেন বিশ্বকাপে ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি করা মাহমুদুল্লাহ’র সাথে।
এই জয়ে বাংলাদেশ বাঁচিয়ে রাখলো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার।
বাঙালীয়ানা/জেএইচ