বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন দশম দিনে

Comments

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির পদত্যাগের দাবীতে দশম দিনে আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ ৪ এপ্রিল, শিক্ষার্থীরা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে।

সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসির পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভ শুরু করে। বেলা ১১ টায় তারা মহাসড়ক অবরোধ করলে পরবর্তীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মোশারফ হোসেনের সাথে কথা বোলার পর তারা অবরোধ তুলে নেয়।

সোমবার, ১ এপ্রিল, শিক্ষার্থীরা ৪৮ ঘন্টার সময় বেঁধে দেয় ভিসিকে পদত্যাগ করার জন্য। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে ভিসি পদত্যাগ না করায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার, ৩ এপ্রিল, ভিসি পদত্যাগ না করায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের রক্ত দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান লিখে প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন কক্ষের সামনে টাঙ্গিয়ে রাখে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

এদিকে, কয়েকজন শিক্ষকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাথে সমঝোতা করার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা তাদের ফিরিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীদের দাবী, ক্যাম্পাস অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ও হলে ডাইনিং বন্ধ করে দেওয়ায় প্রশাসন অমানবিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক এস এম ইমামুল হক বলেন, “আমাদের বেশ কয়েকজন শিক্ষক গতকাল সকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করার প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে তারা রাজি হয়নি। এখন আমাদের পক্ষ থেকে তো কিছু করার নেই। আমি শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি। তারপরেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কোনো যুক্তি দেখছি না। তাদের দিয়ে একটি গোষ্ঠী বা একটি চক্র আন্দোলন করাচ্ছে। তাদের আন্দোলনে অর্থের জোগান দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দিয়ে আন্দোলন করিয়ে ওই গোষ্ঠী ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।”

উল্লেখ্য, ২৬ মার্চে এক অনুষ্ঠানে, শিক্ষার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলে শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবীতে আন্দোলন শুরু করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে উল্লেখ করলে শিক্ষার্থীরা ভিসির পদত্যাগের দাবীতে আন্দোলন শুরু করে।

বাঙালীয়ানা/জেএইচ

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.