বলধা গার্ডেনের ভিনদেশি অতিথি কানাঙ্গা

Comments

 ।। বেণুবর্ণা অধিকারী ।।

কানাঙ্গা, এর বৈজ্ঞানিক নাম Cananga odorata/Cananga kirkii.
ইংরেজি নামঃ Ylang-ylang flower.বাংলা নামঃ অপরূপ চাঁপা ।

অ্যানোনেসি পরিবারের এ গাছটি কখন কীভাবে বলধা গার্ডেনে এসে থিতু হয়েছে সে সব ঐতিহাসিক সূত্র এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে নিশ্চিত করে বলা যায়, অন্যান্য ভিনদেশি গাছপালার সঙ্গে আফ্রিকার এ উদ্ভিদ প্রজাতিটিও জমিদারের আমলে এখানে নিয়ে আসা হয়।

কানাঙ্গা

সংগৃহীত ছবি

কানাঙ্গা গুল্ম শ্রেণীর মধ্যে আদর্শ গাছ। উচ্চতায় ৮ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। অজস্র ডালপালায় ঝোপালো। শীর্ষভাগ সবচেয়ে বেশি নিবিড়। নতুন পাতা ক্ষুদ্র, রোমশ, একক, লম্বায় ৭ থেকে ১২ সেমি, ডিম্বাকার ও মসৃণ। ফুল একক ও সুগন্ধি। প্রথমে রঙ সবুজাভ থাকলেও পরে অনুজ্জ্বল গোলাপি রঙ ধারণ করে। তখন অনেকটা পরিণত কাঁঠালিচাঁপার মতো দেখায়। লম্বাটে পাপড়ির সংখ্যা দুই সারিতে ৬ থেকে ৭টি, বৃত্যাংশ ৩টি, শীর্ষ বাঁকানো, পুংকেশর অনেক। প্রস্টম্ফুটনকাল প্রায় বর্ষব্যাপ্ত হলেও মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেশি ফোটে। যে কোনো বাগানেই মানানসই। বংশবৃদ্ধি গুটিকলমে। গাছের পাতা ও মূল থেকে বিভিন্ন রোগের ওষুধ বানানো হয়।
আমার কাছে এই ফুল দেখলেই অক্টোপাসের মত লাগে।

বলধা গার্ডেনের শিবলী এবং সাইকি দুই অংশেই আছে। এছাড়া ময়মনসিংহের বোটানিক্যাল গার্ডেনে এটা আছে। কাঁঠালি চাঁপার মত এই ফুলের সুগন্ধি দিয়ে এসেনশিয়াল অয়েল তৈরি হয়।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.

About Author

বাঙালীয়ানা স্টাফ করসপন্ডেন্ট