বাঙালি সংস্কৃতি – পর্ব ২০

Comments

বিংশতি পর্ব

। জুলফিকার নিউটন ।

নজরুলের বাল্যের নিজস্ব সংস্কৃতির জগৎ আলাদা এবং আমার মতে অনন্য। লেটোর গান বর্ধমানের কাটোয়া, মঙ্গলকোট বা কালনা অঞ্চলে তেমন প্রচলিত ছিল না। সম্ভবত আসানসোল, বীরভূমে তার চল ছিল বেশি। কাটোয়ার পরেই মুর্শিদাবাদের দিকে ছিল আলকাপ গান। আরও উত্তরে-পূর্বে মালদহে বা ঢাকার নবাবগঞ্জে প্রচলিত ছিল গম্ভীরা গান। গ্রাম্য গানেরও এসব পরিভ্রমণ এবং পরিবর্তন লক্ষ করার মতো। বীরভূম অঞ্চলে পূর্ণ দাস বাউলরা প্রচলিত বাউল গানের ধারা এখনো বহন করে চলছেন। পরে আমি কুষ্টিয়া অঞ্চলের বাউল গানের ধারার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবেই পরিচিত হয়েছি। কবিগান, রাধাকৃষ্ণকথা আর কীর্তন গানটা খুব চলত পশ্চিমবাংলার পশ্চিমাংশে, তবে বাঙালির নিজস্ব লোককাহিনী যেমন বেহুলা-লখিন্দরের পালার পশ্চিমবঙ্গীয় রূপের সঙ্গে ময়মনসিংহ গীতিকার হয়তো কোনো তুলনা চলবে না। আমাদের গ্রাম অঞ্চলে ঝুমুর নামে আর এক রকমের অশ্লীল নাচগান হতো, যার একটা ছবি তারাশঙ্করের ‘কবি’ উপন্যাসে পাওয়া যায়। এসব আসরে ছোটদের যাওয়া নিষিদ্ধ ছিল। এত কথা আমি অবান্তর বলছি না। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র ও বর্ণাঢ্যতার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করা।

‘বাঙালি সংস্কৃতির’ কথা দুটি একটা বড় লেবেল। শুধু ঐ লেবেল ব্যবহার করে বাঙালি সংস্কৃতি ‘কনটেন্ট’ বা আধার-আধেয়ের অপরূপ বৈচিত্র্যের কোনোই ধারণা পাওয়া যায় না। বাঙালি সংস্কৃতির মধ্যে সমন্বয়-অসাধ্য স্ববিরোধিতা আছে কিনা, সমস্ত বিরোধিতা অতিক্রম করে একটা অনন্য অথচ ‘এক’-এর ধারণায় পৌঁছুনো যায় কিনা- এসব প্রশ্নের কোনোই সদুত্তর ‘বাঙালি সংস্কৃতি’ শব্দ দুটিতে পাওয়া যায় না। সেজন্যে বাঙালি সংস্কৃতির ভূগোল কত বড় এবং সে ভূগোল কবে থেকে হিশেব করব আর কবে থেকে করব না, সে ভূগোলে জাতিবর্ণ নির্বিশেষ সবাইকে হিশেবে আনব কিনা কিংবা সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে ভাগ করব, নাকি উচ্চবর্ণ নিম্নবর্ণের বিভাজন করব, চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতি আর আধুনিক বাঙালি সংস্কৃতি কি এক জিনিশ, উনিশ শতকের শিল্প-সাহিত্য আর চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের জমিদারতন্ত্রের উপনিবেশী মিশেল দেওয়া বাঙালি সংস্কৃতি কতটা গ্রাহ্য এবং অনুকরণীয়- এসব অসংখ্য প্রশ্নের জবাব দেবে কে? অবশ্য এসব প্রশ্নের উত্তর এই মুহূর্তে পাবার জন্যে আমি ব্যস্ত নই। অজানার পট নতুন গবেষণাকালে উন্মোচিত হবেই। প্রশ্ন হচ্ছে, অর্থহীনভাবে ‘বাঙালি সংস্কৃতি’ কথাটা শুধু আউড়ে লাভ কী হবে? তার চেয়ে ইঞ্চি ইঞ্চি করে জমি-মাপা, সব মৃত, জীবনবৃত, জীবিত, অপরিবর্তিত, পরিবর্তিত বাঙালি সংস্কৃতির বিচিত্র উপকরণগুলিকে হিশেব করা ও সাজিয়ে দেখা কি কর্তব্য নয়? জীবিতরা তো তাই করে, বর্জন বা গ্রহণ করে জীবনকে অর্থময় করে তোলে। একমাত্র মৃতরাই কথা কয় না।

বাঙালি সংস্কৃতিকে শুধুমাত্র বর্তমান বাংলাদেশের সংস্কৃতি বলে বুঝতে চাই যদি তাহলে আপাতত ক্ষতি একটা হচ্ছে। কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুজনকেই হারাচ্ছি। দুজনই অখণ্ড বাংলার কবি ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তবু রাজশাহী পাবনা অঞ্চল ভালোভাবেই চিনতেন, তাঁর সাহিত্যের একাংশ জুড়ে এই অঞ্চল আছে। নজরুল চুরুলিয়া ছাড়ার পর ৪৯ বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে নৌশেরা এবং করাচিতে বছর দুয়েক কাটিয়ে তাঁর সক্রিয় ও সৃষ্টিশীল জীবনের বাকিটা কলকাতাতেই কাটিয়েছেন। অনুভব ও কল্পনাশক্তির জোরে কবি দেশ-কাল-পাত্র অতিক্রম করে সর্বমানবের কাছে পৌঁছুতে পারেন এ কথা সত্যও বটে, ভ্রান্তও বটে। দেশ-কাল-পাত্র অবলম্বন করে, অভিজ্ঞতার সঞ্চয় পুরোপুরি ব্যবহার করেই তবে কবি এসব অতিক্রম করে মানবসত্যে পৌঁছুতে পারেন। যতোই প্রতিভাবান হোন না, দেশ মাটি সমাজ রাজনীতি অর্থনীতির সঙ্গে একজন শিল্পী ঘনিষ্ঠ সংযোগ যদি না ঘটাতে পারেন তাহলে বাঙালি সংস্কৃতি তাঁর কাছে একটা নির্বিশেষ ধারণা মাত্র, যেমন খুশি তার একটা অর্থ দাঁড় করিয়ে নেওয়া তখন তাঁর পক্ষে সম্ভব। তার মানে কথাটা একটা অস্পষ্ট ধারণামাত্র দিতে পারে, তার বেশি কিছু নয়। তাহলে মানতে হয় যে, বৃত্ত বড় না হওয়া পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামের কাছে বাঙালি সংস্কৃতির জগৎ খুবই নির্দিষ্ট এবং ছোট ছিল। তারপর তাঁর বৃত্ত বেড়েছে, দিগন্ত ক্রমাগত প্রসারিত হতে হতে এক সময় গোটা বাংলার ভূমি তার অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। সেইজন্যেই আমরা তাঁর গল্প, উপন্যাস, কবিতা, গান সমস্ত কিছুতে বাংলাভাষী জনগণের ধর্ম, গোত্র, বর্ণ, নৃ-বৈশিষ্ট্য ইত্যাদির দ্বারা বিচ্ছিন্ন বিচিত্র বর্ণাঢ্য অথচ অনন্য বাঙালি সংস্কৃতির একটা সমন্বিত সামগ্রিক রূপ দেখতে পাবার আশা করতে পারি। কাজেই সমন্বয়ের কথা বলতে গেলে আগে অংশ বৈচিত্র বিচ্ছিন্নতা সংকীর্ণতা ও অনন্যতার কথা বলতেই হবে। তারপরে সমন্বয়ের মিশ্রণের দিকটা দেখতে হবে এবং বাঙালি সংস্কৃতির ঐক্যবদ্ধ রূপের সন্ধানে যেতে হবে।

‘বাঙালি সংস্কৃতি’ -র অন্যান্য পর্বগুলো পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
বাঙালি সংস্কৃতি

কেন এত খুঁটিয়ে দেখতে হবে, কেন এত বিশেষের দিকে নজর দিতে হবে এই প্রশ্নের উত্তর একটাই, নিজেকে নিঃস্ব না রেখে ধনী করার জন্যে। অনন্যতার। দু-একটি নজির দিই: নজরুলের একটি গান আছে- ‘তেপান্তরের মাঠে বঁধু হে একা বসে থাকি।’ আমার ধারণা, এই গানটির কথায় আর পটভূমিতে এমন একটা বিশিষ্টতা আছে যে, এটি বীরভূম আসানসোলের রুক্ষ রাঙা মাটির বিশাল তেপান্তর ছাড়া বাংলার কোথাও লেখা হতে পারত না। বর্ধমানে কোথাও কোথাও লাল মাটি আছে বাংলাদেশে ময়নামতি অঞ্চলেও লাল মাটি আছে। তেপান্তর আছে কিনা জানি না। তবু এ গান এসব অঞ্চলে লেখা হওয়ার কোনো উপায় ছিল না। গানটির সুর সাঁওতালি। সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বাঙালি হিন্দু-মুসলমান হিশেবে গড়ে ওঠা বাঙালিদের চেয়ে ঐ মাটিতে আরো পুরনো। এই সুর আর কোথাও শোনা যায় না। তেপান্তরের মাঠে যে একা বসে থাকে, গানের দু-একটি চরণ শোনার পরেই এ বিষয়ে আর সন্দেহ থাকে না যে, সে সাধারণ বাঙালি যুবতী নয়। পশ্চিমবাংলার অন্ত্যজ শ্রেণীর হাড়ি-বাগদি-বাউরিদের কোনো মেয়ে হলেও হতে পারে। আসলে মেয়েটি যে সাঁওতাল তা বোঝা যায় বারবার কালোর প্রসঙ্গ আসাতে- ‘যেমন পা ফেলছে গেরি মাটির রাঙা পথের ধুলাতে/অমনি করে আমার বুকে চরণ যদি বুলাতে’- তারপর ‘আমি তালপুকুরে যেতে নারি এ কি তোমার মায়া হে/আমি কালো জলে হেরি তোমার কালো রূপের ছায়া হে।’ এমন একটা গানে রাধা-কৃষ্ণের প্রসঙ্গ আসা একেবারেই অবান্তর। এই গান মাটির ভিতর থেকে উঠে এসেছে। এই রেকর্ডটির উল্টোদিকে প্রমাণ রয়েছে খোলাখুলি- ‘রাঙা মাটির পথে লো, মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি- মাদলেরই তালে তালে অঙ্গ ওঠে দুলে লো, অঙ্গ ওঠে দুলে’। এই দুটি গানের সঙ্গে ‘নিধুয়া পাথার’ রংপুর-কুচবিহারের ‘ও কি গাড়িয়াল ভাই’-এর কোন তুলনা কি চলবে? এ রকম শত শত গানের তুলনা দিয়ে নজরুলের সাধারণ বাংলা গানের বিভিন্নতার পরিচয় নিলেই বোঝা যায় সুরে কথায় বাঙালি গানের চেহারাটা কত বিচিত্র। বাউল গানের কথাই ধরি। যাঁরা কুষ্টিয়া এবং বীরভূম দুটি অঞ্চলেরই বাউল গান মন দিয়ে শুনেছেন তাঁরা আমার কথা বুঝবেন। সবাই জানেন নজরুল যেকোনো ধরনের গান দু’তিনবার শুনে কথা ও সুরে অবিকল তেমন গান ২০/২৫ মিনিটের মধ্যে লিখে দিতে পারতেন। কীভাবে তিনি ভাওয়াইয়া ও ইসলামী গান লেখা শুরু করেছিলেন আব্বাসউদ্দীন তার বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার পরে আছে বাংলা গজল লেখার বৃত্তান্ত। এমন প্রসারতা, এমন অকল্পনীয় কবিত্ব, সমগ্র বাংলার জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে গোটা জনগণের হৃদয়-মন পূর্ণ করা গান রচনা করার ক্ষমতা কি নেহাত অশিক্ষিতপটুত্ব? মোটেই তা নয়। অলোকসামান্য প্রতিভার কথা তো আছেই, তবে আগে থেকে হৃদয়-ভাণ্ডারে কী মজুত আছে তারও হিশেব নিতে হবে এবং হিশেব না পেলে নজরুলের মতো যেকোনো বড় কবিরই অন্ত পাওয়া যাবে না। সেজন্যেই আমি ক্রমাগত বৃত্ত বড় করে তোলার কথাটা বলেছিলাম। কীভাবে সেটা সম্ভব হয়েছিল তা নজরুলের জীবন আর তাঁর অসামান্য প্রতিভার সঙ্গে পরিচিত হলেই বোঝা যায়।

৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে যোগ দেওয়ার পর ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বৃত্ত তাঁর ছোটই ছিল। বিহার-ঘেঁষা রাঢ় অঞ্চলের পুরনো মাটি কিশোর নজরুলকে লালন করেছে। এই অঞ্চলে মূলত নিম্নবর্গের মানুষের বসবাস, যাদের মধ্যে শুধুমাত্র বাঙালিই নেই, ভূমিজ অরণ্যবাসী আদিবাসীরাও আছে। বাঙালি সংস্কৃতির সমগ্র কাঠামোর অন্তরস্থিত নানা ‘জন’ ও সম্প্রদায়-নির্বিশেষে ভূমিসন্তানদের সংস্কৃতির তুলনামূলক ছোট বৃত্তটির মালিক ছিলেন নজরুল। সেটা এই সময়কার পটভূমিতে লেখা নজরুলের গান, কবিতা, গদ্যরচনা ইত্যাদি সব রকমের লেখা থেকেই বুঝতে পারা যায়। বৃত্তটি ছোট বটে, কিন্তু যেকোনো মানুষের জীবনে অমোচনীয়। সৃষ্টির সারা সময়টায় এই অমোচনীয় ছাপ নজরুলের ভাষাভঙ্গিতে, তাঁর শব্দব্যবহারে, বাংলা প্রবাদ প্রবচন ও জনজীবনের বহমান গল্পকাহিনীর অনুষঙ্গ টেনে আনার মধ্যে থেকেই গেছে।

নজরুল বেঁচেছেন দীর্ঘকাল। মানুষের গড় আয়ু যা হয় তার চেয়ে অনেকটাই বেশি। কিন্তু তাঁর সাহিত্য সৃষ্টির কাল দীর্ঘ হয়নি। কম-বেশি দুটি দশক মাত্র। শেষের দশ-বারো বছর কবিতা নয়, গান নিয়েই মেতে ছিলেন তিনি। কিন্তু কি পরিমাণে, কি গুণে-মানে, কি স্বরূপে, কোনো অসম্পূর্ণতার বোধ আমাদের মধ্যে দেখা দেয় না তাঁর অফুরন্ত সৃষ্টির মুখোমুখি হয়ে। অথচ জীবনের প্রায় ছত্রিশটি বছর তাঁর কেটেছে জীবনৃত হয়ে। সৃষ্টির ক্ষমতা তো দূরের কথা, চিন্তাশক্তি, বাকশক্তি ও বোধশক্তি সবই তিনি হারিয়েছিলেন। হাউইয়ের মতোই নিজেকে সম্পূর্ণ পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছিলেন তিনি। জানি ভবিষ্যতে তাঁর সৃষ্টিকর্মকে নানাভাবে ভাগ করে, ব্যাখ্যা করে বিচিত্র সব সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে। আমার কৌতূহল, নজরুলের কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ থেকে কি নানা নজরুল বেরিয়ে আসবেন? সমন্বয়হীন, পরস্পরবিরোধী? অনেক নজরুলের মালা কি কোথাও কোনো ঐক্যসূত্রে বাঁধা পড়বে না? আমার ভাবতে ভালো লাগে শেষ পর্যন্ত এক অখণ্ড, অখণ্ডিত এবং অখণ্ডিতব্য নজরুল উত্তরপুরুষের সামনে দেখা দেবেই। শুধু তার গান থেকেই-আমার মতো এক আনাড়ির কাছেও একটিমাত্র স্থির সত্য নিবাতনিষ্কম্প আলোকশিখার মতো নিত্য অস্তিত্ব লাভ করে। সেই স্থির সত্য হলো, গোটা বাঙালি সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠ রূপকার কাজী নজরুল ইসলাম।

নজরুলই ধারণ করেছেন গোটা বাঙালি সংস্কৃতিকে, তার অতীত-বর্তমানসহ। কে বিচার করবে তিনি মুসলমান ছিলেন, না হিন্দু ছিলেন। সমান প্রতিভায় যিনি ইসলামী গান, কীর্তন আর শ্যামাসংগীত লিখতে পেরেছিলেন, তাঁকে মানুষের শ্রেণী ছাড়া অন্য কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে আটক করা যায়? আর এই যে সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতিকে তিনি বাত্ময় করে তুলেছেন সে কি শিখে, না সচেতন চর্চা করে? উনিশ-বিশ শতকে বাঙালি সচেতনভাবে বুদ্ধির চর্চা করেছিল, নজরুল ইসলাম তা করেননি। বাংলার মাটিতে ছোট্ট এক কণা বীজ থেকে যেমন বিশাল মহীরুহ বট তৈরি হয়, তিনি ছিলেন তেমনই। আবহমান বাংলা তাঁর চৈতন্যে। গ্রামীণ বাংলার কিছুই বাদ পড়েনি তাঁর লেখায়। বাংলার বিশাল অন্ত্যজ শ্রেণী, এমনকি বাঙালি জাতির বাইরে যেসব আদিবাসী যারা চিরকাল এই বাংলায় বাস করছে- তাদের কাছ থেকেও তিনি সৃষ্টির উপকরণ গ্রহণ করেছেন। নজরুলের গান-কবিতা ছাড়া এ রকম অসাধারণ সংমিশ্রণ আর কোথাও দেখতে পাই না।

(পরবর্তী পর্ব ১৯ জুন, ২০২৬-এ প্রকাশিতব্য)

ফিচার ফটো অলংকরণ: অভি মজুমদার

লেখক:
Julfikar Newton
জুলফিকার নিউটন
লেখক, গবেষক ও অনুবাদক; ঢাকা

*প্রকাশিত এ লেখার মতামত এবং বানানরীতি লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাঙালীয়ানার সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকা অস্বাভাবিক নয়। তাই এখানে প্রকাশিত লেখা বা লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা সংক্রান্ত আইনগত বা বানানরীতি বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় বাঙালীয়ানার নেই। – সম্পাদক

‘বাঙালি সংস্কৃতি’ -র অন্যান্য পর্বগুলো পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
বাঙালি সংস্কৃতি

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.

About Author

বাঙালীয়ানা স্টাফ করসপন্ডেন্ট