বাঙালি সংস্কৃতি – পর্ব ২৪

Comments

চতুর্বিংশ পর্ব

। জুলফিকার নিউটন ।

মানুষ একমাত্র জীব যে সংস্কৃতির স্রষ্টা এবং সংস্কৃতি যার নির্ণায়ক। অন্য প্রাণীর মতাইে জননকোষ নিয়ে মানুষ প্রকৃতির ভিতরে জন্মায়; কিন্তু বংশবৃদ্ধি করা ছাড়াও মানুষ নিজের ভিতরে আর বাইরে পৃথক একটি জগও রচনা করে। প্রাগৈতিহাসিক যুগেই মানুষের এই বিশেষ শক্তির প্রকাশ দেখা যায় একদিকে যেমন খুব আদিম প্রযুক্তির উদ্ভাবনায়, অন্যদিকে তো গুহাচিত্রের বিস্ময়কর কল্পনাপ্রাচুর্য্যে আর নিপুণতায়। পাখি এবং বীভার বাসা বানাতে পারে, কিন্তু ছবি শুধু মানুষই আঁকে। ব্যাপক অর্থে মানুষের প্রযত্নে যা-কিছু নির্মিত হয় তাই কালচার বা সংস্কৃতিড় চাষবাস থেকে শুরু করে আইনকানুন, দর্শনবিজ্ঞান, নাচগান, ছবি-কবিতা সবই এই অর্থে সংস্কৃতির অন্তর্গত। কিন্তু নতাত্ত্বিকদের বাদ দিলে যে প্রয়োগ অনেক বেশি সাধারণ-স্বীকৃত সংস্কৃতির সেই ব্যার্থ সমাজ ও সভ্যতার বিশেষ বিশেষ দিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সমাজ থেকেই সংস্কৃতির উদ্ভব এবং সংস্কৃতি সমাজব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ধারক বটে, কিন্তু সমাজ এবং সভ্যতার পরিব্যাপ্ত অস্তিত্বের অংশ হিসেবে সংস্কৃতির স্বাতন্ত্রও লক্ষণীয়। চলন্তিকা’-র আভিধানিক ভাষায় সংস্কৃতি হল শিক্ষা বা চর্চার দ্বারা লব্ধ বিদ্যা বুদ্ধি শিল্পকলা রচি নীতি ইত্যাদির উৎকর্ষ। এই জাতার্থের দুটি বিশেষ উল্লেখ লক্ষণীয়: ‘শিক্ষা বা চর্চার দ্বারা লব্ধ এবং উৎকর্ষ। 

প্রকৃতি-পরিবেশ এবং বংশগতি ছাড়াও একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের অধিবাসীদের জীবনযাত্রায় ঐক্য এবং ধারাবাহিকতা দেয় তাদের রচিত সংস্কৃতি। সংস্কৃতির সব চাইতে মুখ্য উপাদান এবং ধারক হল ভাষা এটিই মানুষের সর্বোত্তম উদ্ভাবনা। ছবি, নাচগান, উৎসব-অনুষ্ঠান সবকিছুর ভিতরেই মানুষের অন্তর্লোক ব্যক্ত হয় বটে, কিন্তু ভাষার মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান ধৃত, সঞ্চিত এবং স্থানকালপাত্রের ব্যবধানকে অতিক্রম করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়। ভাষা ছাড়া মানুষের বিকাশ অকল্পনীয়- পূর্বপুরুষের অভিজ্ঞতা, সিদ্ধান্ত, আকল্প, প্রত্যয়, ব্যর্থতা সুদূরবর্তী উত্তরপুরুষের কাছে পৌঁছয় মুখ্যত ভাষার মাধ্যমে এবং ভাষা সময়ের ওপরে এই সেতুবন্ধ রচনা করতে পারে বলে মানুষের প্রাতিস্বিক এবং সামূহিক জীবনে পরিব্যক্তি বা মিউটেশন ছাড়াই বিবর্তন ও প্রগতি সম্ভবপর। জীবৃত্তান্তে প্রাজাতিক আত্মরক্ষা সহজপ্রবৃত্তি বা ইনসটিংকট-নির্ভর এবং সহজপ্রবৃত্তির প্রবণতা পুনরাবৃত্তির দিকে। মানুষের জীবনেও সহজপ্রবৃত্তির ভূমিকা অপ্রবল নয়; কিন্তু মানুষ বুদ্ধি, বিচার, বিবেচনা, বিশ্লেষণ, বিকল্পগ্রাম থেকে নির্বাচন, কল্পনা ও উদ্ভাবন ইত্যাদি সামর্থ্যেরও অধিকারী। ভাষা ছাড়া এইসব সামর্থ্যের বিকাশ সম্ভবপর নয়। ভাষা সমাজে ঐক্য আনে, সামূহিক জীবনে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা আর বিবর্তন সাধ্যায়ত্ত করে, এবং সব চাইতে বড় কথা, ভাষা মানবীয় জ্ঞানের উপায় এবং আধার। মনুষ্যত্যের প্রাণী নিজের চেষ্টায় সচেতনভাবে আপনাকে অথবা তার প্রজাতিকে বিকশিত বা রূপান্তরিত করতে অক্ষম; পুনরাবৃত্তি ছাড়া তার উপায় নেই।

মানুষ নির্ভরযাগ্যে জ্ঞানের সাহায্যে নিজের চেষ্টায় এবং অপরের সহযোগিতায় নিজেকে এবং তার সমাজকে বদলাতে আর বিকশিত করতে পারে। তাই গুহাবাসী, অরণ্যবাসী যাযাবর মানবগোষ্ঠী ক্রমে রূপান্তরিত হয় সভ্য গ্রাম ও নগরবাসী মানুষে। এ কীর্তি একান্তভাবে মানুষের। মানুষকে বাদ দিলে প্রকৃতি, উদ্ভিদজগৎ বা প্রাণিজগতের কোনও সাংস্কৃতিক ইতিহাস নেই। প্রাজাতিকভাবে বিশিষ্ট ধরনের গুরুমস্তিষ্ক নিয়ে জন্মেছে বলেই মানুষের পক্ষে জ্ঞানার্জন এবং ভাষা-উদ্ভাবন ও ভাষা-শিক্ষা সম্ভব। কিন্তু জন্মসূত্রে মানুষ শুধু সামথ্যটুকুই পায়, সেই সামর্থ্যের বাস্তবায়ন আর বিকাশ শিক্ষা এবং চর্চার উপরে নির্ভর করে। জন্মমাত্র কোনও শিশুকে যদি মনুষ্যসমাজ থেকে বিযুক্ত করে অন্য প্রাণীদের মধ্যে রাখা যায় তা হলে তার ভিতরে আপনা থেকেই কিছু আর মানবীয় ভাষাপ্রয়োগের শক্তি প্রকটিত হয় না, অন্য প্রাণীদের মতো তারও প্রকাশ এবং ভাব-বিনিময় অল্প কয়েকটি ভঙ্গি আর ধ্বনির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। মানুষকে ভাষা এবং জ্ঞান, শিক্ষা এবং চর্চার দ্বারা অর্জন করতে হয়। সংস্কৃতির একটি বিশিষ্ট দিক হল যে তার উপাদান শিক্ষা বা চর্চার দ্বারা লভ্য। এ শিক্ষা যে শুধু পাঠশালা বা বিশ্ববিদ্যালয় বা গ্রন্থাগার থেকেই অর্জিত হয় তা তো নয়। শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা ঘটে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীদের কাছে। কানে শুনে এবং অনুকরণ করে সে প্রথম ভাষা শেখে; তার পরও অনেক দিন ধরে প্রধানত অপর ব্যক্তিদের মুখ থেকে শুনেই সে তার সাংস্কৃতিক উত্তরলব্ধির কিছুটা শরিক হয়। মানুষের সাংস্কৃতিক উত্তরলব্ধি আজ বিরাট, বিচিত্র, জটিল, সুদূর দেশকাল বিস্তৃত। তার একটা বড়ো অংশকে নিজের চেতনার আয়ত্তে আনতে হলে, সেই জ্ঞানকে নিজের সমকালীন অভিজ্ঞতার বিচারে প্রয়োগ করতে হলে, তাকে আরও সমৃদ্ধ এবং নির্ভরযাগ্যে করবার শক্তি অর্জন করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং বিশেষজ্ঞদের কাছে দীর্ঘকাল অশিথিল একাগ্রতায় শিক্ষা নিতে হয়। তাতেই যা লব্ধ তাতে উৎকর্ষ আসে। সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে। 

এইখানে একটু থেমে ধারাবাহিকতা প্রসঙ্গে সংস্কৃতি, শিক্ষা, উৎকর্ষ এবং সাহিত্যের সম্পর্ক নিয়ে অতি সংক্ষেপে হলেও কিছু বিবেচনার প্রয়োজন আছে। ইতিহাসপূর্ব আদিম মানুষের পক্ষে উৎকর্ষের সম্ভাবনা ছিল খুবই সীমাবদ্ধ; কিন্তু শ্রমবিভাজিত সমাজে আমরা কিছু মানুষকে গোড়া থেকেই দেখি উৎকর্ষ অর্জন যাদের জীবনের মুখ্য অভীষ্ট এবং সমাজ যাদের এই ভূমিকাকে স্বীকৃতি এবং সম্মান দিয়ে এসেছে। অক্ষর-উদ্ভাবনের পর থেকে এই পার্থক্য স্পষ্টতর হয়। অক্ষরিত ভাষায় যেমন জ্ঞানের সংরক্ষণ ও সম্পোষণের সম্ভাবনা প্রচুর বেড়ে যায়, তেমনি অক্ষরিত ভাষা এবং সেই ভাষায় দ্রুত জ্ঞান ও কল্পনাকে আয়ত্তে আনবার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে সবিশেষ অধ্যবসায় আর শক্তি, এবং প্রাণধারণের প্রয়োজনে আবশ্যক কায়িক শ্রমের দায়িত্ব থেকে মুক্তি। এই শক্তি আর আগ্রহ সকলের থাকে না, এবং এযাবৎ কোনও সমাজেই একাগ্রভাবে জ্ঞানচর্চার সুযোগ-সুবিধা অধিকাংশ স্ত্রীপুরুষ পায়নি। ব্যক্তির দ্বারা ভাষা এবং জ্ঞানের অনন্যমন চর্চা যেমন সমাজের সম্পদ বাড়ায় তেমনই সমাজের মধ্যে এক ধরনের প্রায় অলঙঘ্য বিভেদ এবং ব্যবধানও গড়ে তোলে। ভাষা এবং ভাষাগত জ্ঞানের উৎকর্ষসাধন মনীষী, চিন্তক, ভাবুক, ভাষাশিল্পীদের কাজ। এই কাজ যারা করেন এবং সেই কাজের ফল সম্যকভাবে ভোগ করবার সুযোগ এবং শিক্ষা যাঁরা পান তাদের সঙ্গে নিরক্ষর বা স্বল্পশিক্ষিত জনের পার্থক্য ক্রমেই ঘেড়ে চলে। মার্কস এবং তার গোঁড়া অনুগামীরা এই ভেদ আর দ্বন্দ্বকে তাদের ইতিহাসতত্বে অবহেলা করেছেন। শ্রেণীদ্বন্দ্বের চেহারা ও দিগদর্শন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে এবং হচ্ছে, তবে ইতিহাস এবং সমাজশাস্ত্র নিয়ে যাঁরা পড়াশুনা করছেন তারা সম্ভবত সকলেই স্বীকার করবেন যে সভ্যতার সূচনা থেকেই সব সমাজে যাঁরা ভাষা এবং জ্ঞানের একাগ্র সাধক সাধারণ মানুষ থেকে তাদের একটি স্বতন্ত্র ও উচ্চতর স্থান নির্দিষ্ট হয়ে এসেছে। গায়ের জোর, জমিদারি, অর্থবল, ব্যবসা-বাণিজ্য এ সবের সঙ্গে তাদের জীবিকার যোগ থাকতেও পারে, কিন্তু সমাজে তাদের প্রভাবপ্রতিপত্তি এবং বিশেষ সম্মানের উৎস এগুলি নয়, তার উৎস তাদের নিরলস অনুশীলনপুষ্ট মনীষা। 

জ্ঞানী, প্রাজ্ঞ, ঋষি, বিদ্বান, গুরু, আচার্য যাঁদের বলা হয় সব সমাজেই তারা সাধারণ মানুষ থেকে আলাদা এবং আমাদের এবং সাধারণ মানুষের বিশেষ শ্রদ্ধাভাজন। বিভিন্ন ভাষাতে এঁদের সম্মানার্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। মেজাই, ম্যাজিস্টার, ম্যাএস্ত্রো, মাজডা, লেহরার, উসিটেল, স্যাপিক্রস, সাবিও, ওয়াইজ, বুজুর্গ, উলেমা ইত্যাদি নামে। এঁদের বংশধররা মনীষাহীন বা অনুশীলন নিবৃত্ত হয়েও পিতৃপুরুষের দৌলতে নানা সুযাগে-সুবিধে পেয়েছেন, আবার শক্তিমান এবং বিত্তবানদের পৃষ্ঠপোষণের কারণে পণ্ডিত ব্যক্তিরা বহু সময়ে ওই পৃষ্ঠপোষকদের গুণকীর্তন করেছেন এ তথ্য কারও অবিদিত নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও যা অনস্বীকার্য তা হল লব্ধ বিদ্যা ইত্যাদির উৎকর্ষসাধনের ফলে সংস্কৃতি রচিত এবং বর্ধিত হয়, এবং সেই উৎকর্ষসাধনে সমাজের একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অনন্য, অপরিহার্য, বিনিশ্চায়ক ভূমিকা থাকে। 

সভ্য সমাজে সংস্কৃতির অন্তত দুটি স্তর দেখা যায়। একটি লোকসংস্কৃতি যেটির উদ্ভব ও অবস্থান জনজাতি এবং/অথবা গ্রামজীবনের ভিতরে; সেটিও শিক্ষানির্ভর এবং উল্কর্যসাধনার দ্বারা কমবেশি চিহ্নিত, কিন্তু সেটি প্রাকনাগরিক, সরল, পুনরাবৃত্তিপ্রধান, স্বল্পব্যাপী, বিকাশশীল জ্ঞানচর্চায় পরাজ্রুখ, জটিল ও প্রবলতর নগরসভ্যতার চাপ থেকে আত্মরক্ষায় অসমর্থ। অন্যটিকে উচ্চ সংস্কৃতি বা বিদগ্ধ-সংস্কৃতি বলা যায়, যার উদ্ভব ও অবস্থান নগরে যেখানে বহিরাগত নানা ভাবনাচিন্তার ঘাতপ্রতিঘাত, লেনদেন নিয়তই স্থানীয় প্রতিষ্ঠিত প্রত্যয় আর অভ্যাসকে উদ্বেজিত করে, যেখানে দ্বন্দ্ব এবং বৈচিত্রের ভিতর থেকেই জটিল জীবনবীক্ষা এবং সূক্ষম প্রকাশভঙ্গি গড়ে তুলতে হয়, যেখানে সমাজের পরিধি বিস্তারধর্মী, যেখানে প্রতিযোগিতার চাপে সংস্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গ নিয়ত উল্কর্ষসাধনে নিয়োজিত। এই উচ্চসংস্কৃতিরই অন্যতম বাহক এবং সুফল দর্শন ও বিজ্ঞান, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাকেন্দ্র, মার্গসংগীত ও ইট-পাথরের স্থাপত্য, রঙ্গালয় ও সাহিত্য। 

যেহেতু আমরা সকলেই সাহিত্যসেবী, অন্তত সাহিত্যভোক্তা, সে কারণে সংস্কৃতির অন্যান্য অঙ্গের আলোচনা সরিয়ে রেখে সাহিত্যের দিকেই মনঃসংযোগে করা যাক। ভাষা ছাড়া সাহিত্য সম্ভব নয়। এক হিসেবে যা কিছু ভাষায় প্রকটিত তাকেই সাহিত্য বলা যায় বটে, যেমন যা কিছু মানুষের রচনা তাকেই সংস্কৃতি বলা যায়, কিন্তু সাধারণ প্রয়োগে সংস্কৃতির মতোই সাহিত্যকেও আমরা সীমাবদ্ধ ব্যক্তার্থে নিবদ্ধ করে থাকি। এই সীমাবদ্ধতা সংগত, কারণ এই চৌহদ্দিরু ভিতরেই সাহিত্যের বিশিষ্টতা নিয়ে আলোচনা ফলপ্রসূ হতে পারে। ভাষা ব্যবহারের সেই অংশই সাহিত্যপদবাচ্য যেখানে শব্দ এবং পরস্পরের অন্বয়বোধক পদসমষ্টি ব্যঞ্জনাসমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে, যেখানে অস্তিত্বের গূঢ় এবং মৌল অনুভবগ্রাম ভাষার বিমূর্তনে ধৃত ও উদ্ভাসিত, যেখানে যা নিতান্তই উদ্বায়ী ঘটমান ভাষার আলম্বে তা নিত্যতা না হোক দীর্ঘস্থায়িতার অভিজ্ঞানচিহ্নিত হয়েছে। আমরা প্রাত্যহিক জীবনে যে কথাবার্তা বলি, প্রয়োজনে যে চিঠিপত্র লিখি, নেতারা যে সব বুলি আওড়ান, খবরের কাগজে চ্যানেলে বা স্যাটেলাইটে যে সব প্রতিবেদন ও মন্তব্য রোজকার রোজ চটপট বানিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয় সেগুলিও সাহিত্যের উপাদান বটে, কিন্তু তারা সাহিত্য নয়। লব্ধ ভাষার উৎকর্ষসাধন থেকেই সাহিত্যের জন্ম।

(পরবর্তী পর্ব ৩১ জুলাই, ২০২৬-এ প্রকাশিতব্য)

ফিচার ফটো অলংকরণ: অভি মজুমদার

লেখক:
Julfikar Newton
জুলফিকার নিউটন
লেখক, গবেষক ও অনুবাদক; ঢাকা

*প্রকাশিত এ লেখার মতামত এবং বানানরীতি লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাঙালীয়ানার সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকা অস্বাভাবিক নয়। তাই এখানে প্রকাশিত লেখা বা লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা সংক্রান্ত আইনগত বা বানানরীতি বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় বাঙালীয়ানার নেই। – সম্পাদক

‘বাঙালি সংস্কৃতি’ -র অন্যান্য পর্বগুলো পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
বাঙালি সংস্কৃতি

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.

About Author

বাঙালীয়ানা স্টাফ করসপন্ডেন্ট