ভিসি নাসির ক্যাম্পাস ছেড়ে গেল, তবুও অপসারণের দাবিতে আন্দোলন চলবে

Comments
শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে পড়ে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হলেন।

রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯টার দিকে পুলিশ পাহারায় তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মূহুর্মূহু শ্লোগানের মধ্যে দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলো ছেড়ে গেলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কয়েকটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

উপাচার্যের ক্যাম্পাস ত্যাগের পরেও শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রথীন্দ্রনাথ বাপ্পি বলেন, ‘তার ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ায় আমাদের আন্দোলন থামবে না কারণ আমদের দাবি তার অপসারণ। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অবস্থান ও আন্দোলন চলবে।’ রথীন আরও বলেন, ইউজিসির তদন্তে ভিসির দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে বলে আমরা শুনেছি এ পর্যায়ে আমরা তার দুর্ণীতি বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে তার বিচার চাই।’

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বাঙালীয়ানাকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে আমাদের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রোববার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, দুপুর ১টার সময় আমাকে  প্রতিবেদন দাখিল করে। আমাদের অনুসন্ধান ও ফলাফল এবং আমাদের সুপারিশসহ প্রতিবেদনটি আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন মন্ত্রণালয় আমাদের সুপারিশ অনুসারে ব্যবস্থা নেবেন’।

গণমাধ্যমে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে তদন্তে দুর্নীতির প্রামাণ পাবার ও উপাচার্য্যকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছে বলে যে খবর বের হয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

এদিকে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ভিসি সাহেব (ড. নাসিরউদ্দিন) রাত ৮ টার দিকে তাকে ফোন করেন। তখন তিনি জরুরি অফিসিয়াল কাজে ঢাকা যাবেন বলে পুলিশ দিয়ে তাকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে রাত ৯টার দিকে পুলিশ পাহারা দিয়ে তাকে বাংলো থেকে বের করে আনে পুলিশ।

বাঙালীয়ানা/এসএল

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.