।। বেণুবর্ণা অধিকারী ।।
সাভার থেকে নবীনগরে যাবার পথে  ডানদিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম সারি সারি কুস্তা বা কেও গাছ দেখে। এখানে এরা অনাদরেই  জন্মেছে।
আজ নেটে  সার্চ দিতে গিয়ে দেখলাম এটাকে ইনসুলিন গাছও বলা হয়। এই অবহেলিত গাছকে প্রকৃতির আশির্বাদ বলা হয় ডায়াবেটিসের জন্য। বলা হয়ে থেকে একদিনে একটা পাতাই ডায়াবেটিক থেকে দূরে রাখবে এবং রক্তচাপের মাত্রাও নিয়ন্ত্রন করবে। তবে প্রেগন্যান্ট মায়েদের জন্য এটা নিষেধ।
কেও বা কেওমূল এক ধরনের সপুষ্পক উদ্ভিদ। এর (বৈজ্ঞানিক নাম Cheilocostus speciosus বা Costus speciosus) ইংরেজিতে এটি ‘Crêpe ginger’, ‘Malay ginger’ এবং ‘White costus’ নামে পরিচিত। Costus গণভুক্ত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে এটিই সম্ভবতঃ সবচেয়ে বেশি চাষ করা হয়।
এটি দক্ষিণ এশিয়া ও এর আশপাশের অঞ্চলের উদ্ভিদ। বাংলাদেশ, ভারত ও চীন থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া ও কুইন্সল্যান্ড পর্যন্ত এর আদি বিস্তৃতি। পরে এটি মরিশাস, ফিজি, হাওয়াই, কোস্টা রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে।
বাংলাদেশের ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে অঞ্চলে এই গাছ প্রচুর হয়। সিলেটের বৃষ্টিবনে প্রচুর দেখেছি।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.