ওআইসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের যথাযথভাবে প্রত্যাবর্তনে অনিশ্চয়তার কথা ব্যক্ত করেছেন। ৩১ মে, শুক্রবার ওআইসিতে এশিয়ান গ্রুপের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখার সময় এই শঙ্কার কথা জানান শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, আমাদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে বলপ্রয়োগ করে তাড়িয়ে দেওয়া প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তবুও রোহিঙ্গাদের যথাযথ প্রত্যাবর্তন এখনও অনিশ্চিত। মিয়ানমার বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও রাখাইনে তাদের ফিরে যাওয়ার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরোও বলেন, আবুধাবির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার (সিএফএম) রোহিঙ্গাদের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার জন্য জবাবদিহিতা ও বিচার সম্পর্কিত প্রশ্নের সম্মুখীন করতে আন্তর্জাতিক আদালতে একটি পথ তৈরি করেছে গাম্বিয়া। মিয়ানমারে সৃষ্ট গণহত্যা ও সহিংসতাকে ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণে গাম্বিয়া নেতৃত্ব দিচ্ছে। এর আগে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক তহবিল ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে মামলাটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে আপিল করি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ জানান।
গতকাল, শুক্রবার বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে বিকেলে বিমানবন্দর পৌছান। সেখান থেকে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মক্কার সাফা প্রাসাদে দুই দিনব্যাপী ওআইসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাঙলীয়ানা/জেএইচ