কোন মূল্যসংবেদনশীল তথ্য অথবা ব্যবসা সম্প্রসারণ ছাড়াই দুর্বল মৌল্ভিত্তি ও ছোট মূল্ধনী ১৫ টি কোম্পানির শেয়ারের পিছনে ছুটছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। একটি সংগবদ্ধ চক্র কারসাজি করে প্রলোভন দেখিয়ে কোম্পানির দাম বৃদ্ধি করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোম্পানিগুলো হলোঃ সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, মুন্নু সিরামিক, জুট স্পিনার্স, কেপিসিএল, ইমাম বাটন, রহিম টেক্সটাইল, দুলামিয়া কটন, এসকে ট্রিমস, স্টাইল ক্রাফট, আজিজ পাইপ, এমএল ডাইং, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্সুরেন্স, সাভার রিফ্রেক্টরিজ লিমিটেড এবং নূরানী ডাইং।

অভিযোগ মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং মোবাইলের মাধ্যমে এসব কোম্পানির দাম বাড়বে এবং তা কতো পর্যন্ত বাড়বে ইত্যাদি গুজব ছড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া হয়। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লোভে পড়ে বেশীদামী এইসকল শেয়ার কিনে লোকসানে পড়ছেন।

এদিকে কোম্পানিগুলোর অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে দিয়েছেন পুঁজিবাজার কতৃপক্ষ। কতৃপক্ষ এইসকল কোম্পানীর দাম বাড়ার পিছনে কোন মূল্যসংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কিনা জানতে চেয়ে কোম্পানীগুলোকে চিঠি পাঠালেও তারা উত্তর দিয়েছে তাদের জানা নেই।

ডিএসইর পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করা হলেও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন ( বিএসইসি) থেকে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয় নি। বিষয়টি তারা স্বীকারও করেছে।

কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এই বিষ্যে বলেন, বাজারে একটি গ্রুপ থাকে যারা টার্গেট করে স্বল্প মূল্ধনী ও দুর্বল কোম্পানীতে বিনিয়োগ করে। সাধারণ বিনিয়োগ কারীদের মাঝে গুজব সৃষ্টি করে তারা মুনাফা তুলে নেয়।

এসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ বিএসইসি একটি সিস্টেমের মধ্যে চলে, চাইলেই প্রতিদিন শেয়ারের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া যায় না, নিলে বাজারে প্রভাব পড়ে। ‘

বাঙালয়ানা/এইচকে

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.