সংবাদ সম্মেলনে দেরী হওয়াতেই প্রাণে বেঁচে গেলেন তামিম-মুশফিকরা। শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০১৯, জুমার নামাজ পড়তে আর একটু আগে মসজিদে গেলে শোকাবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারতো। দলীয় ম্যানেজার খালেদ মাসুদ জানিয়েছেন, আর ৩-৪ মিনিট আগে পৌঁছালে মসজিদের ভেতরই থাকতেন তারা।
হ্যাগলি ওভাল মাঠের খুব কাছে আল নূর মসজিদে শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে সন্ত্রাসী হামলা হয়। অনুশীলন শেষে ওই মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান কয়েকজন ক্রিকেটার। সংবাদ সম্মেলনের জন্য মসজিদে যেতে দেরী হয়েছিল তাদের।

মসজিদে প্রবেশের মুহূর্তে স্থানীয় এক নারী বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সতর্ক করেন গোলাগুলির কথা জানিয়ে। আতঙ্কিত খেলোয়াড়েরা তখনই দ্রুত হ্যাগলি ওভালে ফিরে আসেন। ওখান থেকে বাংলাদেশ দলকে বিশেষ নিরাপত্তায় নভোটেল হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ‘নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেট দলের সদস্যরা সবাই টিম হোটেলে ফিরেছেন। সবাই নিরাপদে আছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে দলের খেলোয়াড় এবং ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। টিম ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলটও নিউজিল্যান্ড থেকে জানিয়েছেন, ‘ছেলেদের চোখে মুখে আতঙ্ক থাকলেও সবাই নিরাপদে হোটেলে আছেন।’

এদিকে ক্রাইস্টচার্চে শেষ টেস্ট বাতিল হয়ে যাওয়ায় তারা আগেভাগেই ফিরে আসছেন।

মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট বাতিল করা হয়েছে।

বাঙালীয়ানা/এসএল

 

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.