সোহেল রানার চিরবিদায়: অশ্রুসিক্ত স্বজন

Comments
মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন উৎসর্গ করা ফায়ার সার্ভিস কর্মী সোহেল রানার শেষ বিদায়ে সহকর্মীরা শেষ শ্রদ্ধায় সিক্ত হলেন। সোহেল রানার চাকরিস্থল ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত জানাজা শেষে চিরনিদ্রায় সমাহিত করবার জন্যে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে চৌগাঙ্গা উপজেলার ইটনার কেরুয়ালা এলাকায়।
Sohel-GaurdofHonor

গার্ড অফ অনার

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বিমানবন্দরে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার পর রাত সাড়ে ১১টায় বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ বের করে সিএমএইচ এর হিমঘরে তার মরদেহ রাখা হয়েছিল।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে সকালে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরে তার মরদেহ নিয়ে আসা হলে সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সোহেল রানার ভাই। সহকর্মীদের চোখের কোনেও জমে জল। পরে বিউগলের সুরে পতাকায় মোড়ানো কফিনে শ্রদ্ধা জানান ফায়ার সার্ভিসের চৌকস দল। জানাজায় অংশ নেয় তার সহকর্মীসহ অনেকেই। এরপর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের চৌগাঙ্গা উপজেলার ইটনার কেরুয়ালায় নিয়ে যাওয়া হইয়েছে। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

উদ্ধার কাজে বড় স্বয়ংক্রিয় মই (ল্যাডার) করে আটকে পড়া ব্যক্তিদের নামাবার প্রক্রিয়ার যুক্ত থাকা কালে সোহেল রানা যে ল্যাডারে ছিলেন সে ল্যাডারে আটকে পড়াদের জায়গা করে দিতে সোহেল রানা ল্যাডারের সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসবার সময় হঠাৎ করে সোহেল রানার পা মইয়ের ভেতরে আটকে গিয়ে ভেঙে যায়। একই সময়ে চাপ লেগে তার পেট ছিদ্র হয়ে যায়। ঘটনায় আহত রানাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার দুটি সফল অস্ত্রোপচার সদ্মপন্ন হয় কিন্তু কার্বন মনোঅক্সাইডের বিষক্রিয়া ও ইনহেলেশন ইনজুরির কারণে সোহেলের অবস্থা শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় সোহেল রানাকে নিবিড় পরিচর্যায় ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

বাঙালীয়ানা/এসএল

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.