স্মরণ: এক সূর্যসন্তানের কথা । রুবিনা হোসেন

Comments

১৯৭১- বাঙালি জাতির জন্য এক মিশ্র অনুভূতির বছর। বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা’ যার জন্য গৌরবান্বিত বাঙালি জাতিকে দিতে হয়েছে ত্রিশ লক্ষ প্রাণ এবং অগণিত মা-বোন দিয়েছেন চরম আত্মত্যাগ। ১৬ ডিসেম্বর তারিখে পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্থান করে নেয়া  বাংলাদেশ নামের দেশটির জন্মপ্রক্রিয়া খুব সহজ ছিল না। ২৫ মার্চ কালরাতে ইতিহাসের কুখ্যাত রাষ্ট্রপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে পাক-হানাদারবাহিনী কাপুরুষোচিত বর্বর হামলা চালিয়ে ঢাকা শহরে ঘুমন্ত, নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালি-নিধনযজ্ঞে মেতে ওঠে। কিন্তু বীর বাঙালি প্রাথমিক শোক সামলে ঘুরে দাঁড়ায় এবং দেশমাতাকে রক্ষা করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে যুদ্ধে। নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি অচিরেই গড়ে ওঠে গেরিলা বাহিনী।  চার সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম গেরিলা দলের একজন ছিলেন বদিউল আলম, যিনি ক্র্যাক প্লাটুনের  গেরিলাযোদ্ধা হিসেবে একাত্তরের আগস্ট মাসে ঢাকায় একাধিক অপারেশনে দুর্ধর্ষ ও সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে পাকবাহিনীর নির্মম নির্যাতনে শহীদ হন সেক্টর ২ এর এই বীরযোদ্ধা।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক তাঁর পারিবারিক ও ব্যক্তিগত পটভূমি। ১৯৭১ সালে বদিউল আলমের বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর। ক্ষণজন্মা এই তরুণের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জুন, ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামে তাঁর নানাবাড়িতে। পিতা আবদুল বারী এবং মাতা রওশন আরা খানমের ছয় পুত্র এবং এক কন্যার মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। জন্মের পর নানা মোঃ আব্দুস সালাম নাতির নাম রেখেছিলেন তপন, যার অর্থ সূর্য। তাঁর জীবনের অধ্যায়গুলো ছিল বিচিত্রধর্মী প্রতিভার বৈভবে ভরপুর ও সমৃদ্ধ। তিনি যেমন ছিলেন মেধাবী ছাত্র, তেমনই ছিলেন এক বলিষ্ঠ ও প্রতিবাদী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সবকিছু ছাপিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসীম সাহসিকতা, দুর্ধর্ষ গেরিলারূপে আত্মপ্রকাশ, প্রশিক্ষণ ছাড়াই দুঃসাহসিক অপারেশনে অংশগ্রহণ তাঁকে এক অনন্য মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি বদি নামেই  পরিচিত ছিলেন।

তীক্ষ্ণ মেধা এবং অসাধারণ স্মরণশক্তির অধিকারী বদিউল আলম ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।  ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে (সম্মান) এবং ১৯৭০ সালে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রাবস্থায় তিনি লেখক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। তাঁর ইংরেজিতে লেখা ছোটগল্প তখন মাঝেমধ্যে রেডিওতে প্রচারিত হতো।

ছোটবেলা থেকেই বদিউল আলমের মধ্যে নানাবিধ মানবিক গুণ পরিলক্ষিত হতে থাকে।  পরিবারের জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে ছোট ভাইবোনদের প্রতি ছিলেন দায়িত্বশীল, গরিবের প্রতি ছিল গভীর মমত্ববোধ, বাসার কাজের মানুষের সঙ্গে তাঁর ব্যবহার ছিল অমায়িক। বাবা আবদুল বারীর পরম পরিচর্যায় তাঁর মধ্যে বই পড়ার  তীব্র নেশা গড়ে ওঠে।  ইংরেজি ভাষায় ছিল তাঁর অসাধারণ দখল । ১৯৭০ সালের শেষের দিকে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পরীক্ষা দিয়ে আসার পর বায়তুল মুকাররম, নিউ মার্কেটের বইয়ের দোকানগুলো থেকে তাঁর পছন্দের বই কিনে নিয়ে আসতেন। তাঁর পছন্দের লেখকদের তালিকায় ছিলেন মার্কস-অ্যাঙ্গেলস, লেনিন, হ্যা·লি, সলোকভ, সমারসেট মম, উইল ডুরান্ট এবং আরও অনেকে। এছাড়াও ছিল শেক্সপিয়ারের রচনা সমগ্র। ওই সময় বাইরে থেকে যে সব বই আসত, প্রায় সবই তাঁর পড়া ছিল। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, এমনই তাঁর সাহিত্যপ্রীতি ছিল যে যুদ্ধের ময়দান থেকে ঘাঁটিতে ফিরেও তিনি বই পড়তেন।

অন্যায়ের সঙ্গে কোনোরকম আপোস করতেন না তিনি। অন্যায় দেখলেই রুখে দাঁড়াতেন। স্কুলে পড়ার সময় সহপাঠীদের মধ্যে ঝগড়া হলে তিনি মিটিয়ে দিতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেও নিজের জীবন বিপন্ন করে  অনেক নিরপরাধ ছাত্রকে বাঁচিয়েছিলেন। নিপীড়ন ও নিপীড়কের বিরুদ্ধে সর্বদাই  ছিলেন সোচ্চার যেখানে অনেকেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে থাকে। যে মানুষটি দৈনন্দিন জীবনেই ঘটে যাওয়া অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করতে পারেন না, তাঁর পক্ষে কীভাবে সম্ভব ২৫ মার্চ কালরাতে এবং পরবর্তীকালে বর্বর পাক-বাহিনীর নিষ্ঠুর নিধনযজ্ঞ মেনে নেয়া?  ঠিক একারণেই যুদ্ধে যাওয়ার প্রাক্কালে মাকে বলেছিলেন, “আম্মা, পাকিস্তানি বাহিনী অন্যায় করছে। আমাদের ওপর অত্যাচার করছে। এই অন্যায়ের প্রতিশোধ নিতেই হবে।”

রণাঙ্গনের র্সূয…
রজত হুদা

ট্রিগারে আঙুল। শ্যেনচক্ষুতে দেখা শত্রুর গতি
জুলপির পাশ দিয়ে গরিয়ে পড়া ঘামের বিন্দু
নিঃশ্বাস ভারী হয়ে জানায় তুমি নিঃশঙ্ক
তোমার সামনে কেবলি স্বাধীনতার ডাক
মুক্ত স্বদেশের জন্য একটা পতাকা রচনা করা।
তখন সূর্যের বিদায়ে গোধূলীবেলায় প্রিয় রণাঙ্গন প্রস্তুত
বুকের রণনে বাজে ওঠে বারবার দুর্মদ সুর
ঘরে ফেরা পাখিদের সন্ধ্যারাগের শিসে
মনে পড়ে মায়ের ঘুমপাড়ানির সেই গান
মাতৃস্নেহের কাঙাল তুমি তবু জেগে থাকো
আরেকটা বিজয়ের তরে
তোমার সাহসের তরণীতে পার হয়ে আসে বিজয়
তোমার রক্তের ধারা মেশে সবুজ দুর্বাঘাসে
তোমার স্বপ্নে আজো জেগে থাকে সাহসের মানুষগুলো।
প্রিয় শব্দ যেখানে স্বাধীনতা সেখানে জীবন দেবার পরেও জীবন যায় না বৃথা।

ছাত্রজীবনে বদিউল আলম ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ফেডারেশনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আনিসুল হক তাঁর ‘মা’ গ্রন্থে লিখেছেন, “বদিউল আলমের ঢাকায় এক সময় এন.এস.এফ-এর নেতা হিসেবে বিশেষ পরিচিতি ছিল। উজ্জ্বল পটভূমি নিয়েও বদি যে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার সমর্থক ও পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা এন.এস.এফ-এ যোগ দিয়েছিল, তার কারণ খুব একটা রাজনৈতিক নয়। ’৬৯-এর গণআন্দোলনের সময় থেকে বদিউল আলমরা এন.এস.এফ-এ নিষ্ক্রিয় হতে থাকে। ডাকসুর জিএস নাজিম কামরান চৌধুরী এন.এস.এফ-এর পক্ষ থেকে নির্বাচিত হওয়া সত্তে¡ও গণআন্দোলনকে সমর্থন করেন এবং এরপর থেকে ছাত্রসমাজের স্বাধিকার তথা স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করতে থাকেন। সে সময় থেকে বদিউল আলমরাও মনেপ্রাণে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থক হয়ে ওঠে।”  ডাকসুর তৎকালীন জিএস নাজিম কামরান চৌধুরী বলেন, “১১ দফা কর্মসূচি চালিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজপথে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিল বদি। বদির মতো সাহসী নেতাকর্মীদের ভূমিকার জন্যই আমাদের ছাত্র আন্দোলন পর্যায়ক্রমে গণ-আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান, সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয় ও সফলতা লাভ করে।”

১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ তারিখে ক্র্যাকডাউনের পর তরুণ ও ছাত্র সমাজসহ গোটা বাঙালি জাতি হতভম্ব হয়ে পড়ে। ২৭ মার্চ তারিখে স্বল্প সময়ের জন্য কারফিউ তোলা হলে বদিউল আলম ধানমন্ডিতে বন্ধু তৌহিদ সামাদের বাসায় আসেন। সেখানে আরও বন্ধুদের উপস্থিতিতে দেশের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু উদ্ভ্রান্ত তরুণসমাজ তাদের করণীয় বুঝে উঠতে পারছিল না। সে সময় বদিই সর্বপ্রথম এই মর্মে সূত্র ধরিয়ে দেন যে তাদেরকেই  মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সেখানে উপস্থিত চারজনকে নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম গেরিলা দল। বদিউল আলম ছাড়া বাকি সদস্যরা ছিলেন- আশফাকুস সামাদ, শহীদুল্লাহ খান (বাদল) এবং মাসুদ ওমর। এঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকা- উভয়ক্ষেত্রেই বদিউল আলমের ক্ষিপ্র পদচারণা ছিল। তবে ঢাকার অপারেশনে তিনি পাক-বাহিনীর মুখোমুখি হলেও কিশোরগঞ্জে তাঁর অপারেশনগুলো মূলতঃ রাজাকার ও শান্তি কমিটির সদস্যদের শায়েস্তা করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে তাঁর দলের সাহসী অপারেশন গ্রামবাসীদের মাঝে হারানো মনোবল ফিরে পেতে সাহায্য করেছিল।  জুলাই মাসে ৩য় সপ্তাহের দিকে বদিউল আলম তাঁর বন্ধু ও সহযোদ্ধা আলী আনোয়ার (হেলাল)কে নিয়ে ঢাকা আসেন এবং অস্ত্রশস্ত্রের পর্যাপ্ত  সরবরাহ থাকায় ঢাকায় থেকে যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করেন। উল্লেখ্য, ভারত হতে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসার জন্য তাঁকে অনেকবার বলা হলেও তিনি দেশের ভেতরে থেকেই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে স্থির প্রতিজ্ঞ ছিলেন। ঢাকায় এসে তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের অপারেশনে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েন।  মুক্তিযুদ্ধে বদিউল আলম বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়াই যে দুঃসাহসিক অপারেশনগুলো করেছিলেন, তা তাঁর গভীর দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং অসীম সাহসিকতার কারণেই সম্ভব হয়েছিল। ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যরা ঢাকা শহরে বেশ কিছু সংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ও দুঃসাহসিক অপারেশন সম্পন্ন করে। এর মধ্যে বদিউল আলমের অংশগ্রহণে ৮ আগস্ট তারিখে পরিচালিত অসাধারণ একটি সফল অভিযান ছিল ‘অপারেশন ফার্মগেট’। এই অপারেশনের সঙ্গে জড়িত সকল মুক্তিযোদ্ধা ফার্মগেট অপারেশনের পরিকল্পনা গ্রহণে বদিউল আলমের বিশেষ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।  ১৯ আগস্ট তারিখে ক্র্যাক প্লাটুনের বেশ কয়েকজন গেরিলা দুটি পৃথক নৌকায় সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন রেকি করতে গেলে প্রথম নৌকাটি একটি মিলিটারি ভর্তি নৌকার সম্মুখীন হয়ে পড়লে বদিউল আলমের তাৎক্ষণিক ভূমিকার কারণে সে যাত্রায় তাঁর সহযোদ্ধারা বেঁচে যান। ২৫ আগস্ট তারিখে ধানমন্ডি অপারেশনটি যে কোনো ইংরেজি মুভির কাল্পনিক কাহিনিকেও হার মানিয়ে দেয়ার মতো ছিল।

ক্র্যাক প্লাটুনের দুঃসাহসিক অপারেশন যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মাঝে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল, ঠিক তখনই একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায় ২৯ আগস্ট সর্বপ্রথম ধরা পড়েন বদিউল আলম। ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর জালালউদ্দিন আহমেদের ছেলে ফরিদ ছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সেই রবিবার বদিউল আলম ফরিদের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাস খেলতে। ফরিদ বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৬ মিনিট পর  কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা সঙ্গে নিয়ে ফিরে আসে। বদিউল আলম পালানোর চেষ্টা করলেও ধরা পড়ে যান তাদের হাতে। এরপর পাক-বাহিনী সাড়াশি অভিযান চালিয়ে আরও অনেক  ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যদের আটক করতে সমর্থ হয়।  ১৯৭১ সালের ২৯-৩১ আগস্ট তারিখে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে ধৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকাংশকেই  নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

নানা আব্দুস সালামের দেয়া নামের যথার্থতা প্রমাণ করে বদিউল আলম বাস্তবিকই এদেশের একজন সূর্যসন্তানে পরিণত হয়েছিলেন। শহীদ বদিউল আলমের ৭২তম জন্মবার্ষিকীতে জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছে।

লেখক: রুবিনা হোসেন, লেখক, গবেষক

*প্রকাশিত লেখাটির মতামত ও বানানরীতি লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাঙালীয়ানার সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকা অস্বাভাবিক নয়। তাই এখানে প্রকাশিত লেখা বা লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা সংক্রান্ত আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় বাঙালীয়ানার নেই। – সম্পাদক

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.