২০১৯-এর গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় সামান্য উন্নতি ঘটেছে। ২০১৮-তে বাংলাদেশের সামগ্রিক নম্বর ছিল ৫.৫৭ যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.৮৮ এ। বাংলাদেশ রয়েছে ৮০তম স্থানে।
ইকনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)-এর তৈরী রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছে।
২০১৯-এর সূচকে এক ধাক্কায় দশ ধাপ নেমে ভারত এসেছে ৫১ নম্বর স্থানে। এবারে ভারতের সামগ্রিক নম্বর ৬.৯ যা ২০১৮-তে ছিল ৭.২৩ এ। চীনের সামগ্রিক নম্বর ২.২৬ এবং সূচকে চীন ১৫৩তম স্থানে রয়েছে। প্রতিবেশী গণতন্ত্রগুলির মধ্যে পাকিস্তানের স্থান ১০৮। তাদের সামগ্রিক নম্বর ৪.২৫। ৬৯তম স্থানটি শ্রীলঙ্কার দখলে। তাদের সামগ্রিক নম্বর ৬.২৭।
সামগ্রিক নম্বর ছয়ের চেয়ে কম ও চারের চেয়ে বেশী হলে সেটিকে গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্রের মাঝামাঝি বলে ধরা হয়। চারের নীচে নম্বর নামলে তা ‘একনায়কতন্ত্র’ হিসেবে ধরা হয়। সারা বিশ্বে ১৬৫টি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং দু’টি অঞ্চলে গণতন্ত্রের অবস্থান তুলে ধরা হয় এই সূচকের মাধ্যমে। নির্বাচন প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কাজকর্ম, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ ও স্বাধীনতা, রাজনীতি মনস্কতা এবং নাগরিক স্বাধীনতা— এই পাঁচটি মাপকাঠির বিচারে তৈরি করা হয় সূচকটি। সামগ্রিক নম্বর অনুযায়ী মোট চারটি বিভাগে বিভক্ত করা হয় দেশগুলিকে। আটের উপর নম্বর থাকলে সেটি ‘পূর্ণ গণতন্ত্র’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ছয় থেকে আটের মধ্যে নম্বর থাকলে সেটি ‘ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র’।

সামগ্রিক নম্বর বিচারে বাংলাদেশের উন্নতি।

বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম।