ষষ্ঠ পর্ব
। জুলফিকার নিউটন ।
পাকিস্তানের জোয়াল কাঁধে নিয়ে ১৯৪৭ সালে থেকে আমরা বাঙালিরা স্বাধীন হওয়ার রাস্তা খুঁজছিলাম। পাকিস্তানের জোয়ালের তত্ত্ব হচ্ছে বাঙালিদের হারানো অধিকারের তত্ত্বের দিকে চোখ ফেরানো। হারানো অধিকারের অর্থ হচ্ছে মুসলমানদের যেমন ইতিহাসের দিকে ফিরিয়ে আনা এবং তেমনি, হিন্দুদেরকেও ইতিহাসের দিকে ফিরিয়ে আনা। সেজন্য দরকার ইতিহাস বিশ্লেষণ, যে বিশ্লেষণ শ্রমজীবী মানুষকে শ্রেণী হিসেবে সচেতন করে তুলতে সক্ষম। সচেতন হওয়ার অর্থ হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক হওয়া। ১৯৪০, ১৯৫০, ১৯৬০ দশকগুলিতে, আমরা বাঙালিরা পাকিস্তানী ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে পপুলার ফ্রন্টের ট্র্যাজেডি গ্রহণ করে অগ্রসর হয়েছি। দুটি রাজনৈতিক থিম আমরা তুলে ধরছি। প্রথমটি হচ্ছে– প্রগতিশীল শক্তির কনসেপ্ট, এই কনসেপ্টে অন্তর্গত জনসাধারণের ধারণা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে: ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার জন্য অসাম্প্রদায়িকতাকে শক্তিশালী করা। রাজনৈতিক অবজেকটিভ হচ্ছে: ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে বামপন্থী মনোভঙ্গি গড়ে তোলা। বামপন্থা মার্কসিস্ট ইতিহাসতত্ত্বকে নতুন করে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে ফ্যাসিস্ট মুসলিম লীগ, ফ্যাসিস্ট হিন্দুসভা, কিছু পরিমাণ ফ্যাসিস্ট কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ধরনের ফ্যাসিস্টরা ব্রিটিশ ভারত, হিন্দু ভারত, মুসলিম ভারতের ইতিহাস তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছে অতীতকে বৈধতা দেয়ার জন্য। এর বিরুদ্ধে বর্তমান ও বিদ্যামান লড়াই হচ্ছে সাধারণ মানুষের বৈপ্লবিক ঐতিহ্য ও অতীত সঙ্গে করে রুখে দাঁড়ানো। এর অর্থ আমাদের দিক থেকে আমরা ইনহেরিট করেছি কৃষক বিদ্রোহ, আমরা ইনহেরিট করেছি ভাষা ও জ্ঞানের বিদ্রোহ, আমরা ইনহেরিট করেছি কৃষক বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে বাঙালিদের বিদ্রোহ, আমরা ইনহেটি করেছি ভাষা জ্ঞানের অধিকার দাবির মধ্য দিয়ে নারীদের বিদ্রোহ। এ সবকিছু আমাদের সঠিক পথে যাত্রা করতে সাহায্য করেছে। এই যাত্রা আমাদের অতীতের সঙ্গে যুক্ত করেছে আর ভবিষ্যতের জন্য একটা সঠিক রাস্তা খুলে দিয়েছে।
অতীতের সঙ্গে যুক্ত করা এবং ভবিষ্যতের জন্য একটা সঠিক রাস্তা খুলে দেওয়া একই উপলদ্ধির দুই দিক, ইতিহাসের ব্যাখ্যা এবং পুর্ণ ব্যাখ্যা আমাদের লড়াকুর মর্যাদা দিয়েছে। লড়াই করা মতাদর্শিক সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এবং লড়াই করা রাজনীতির ক্ষেত্রে তৈরি করেছে সাধারণ মানুষ এবং জাতির সংজ্ঞা। ফ্যাসিস্ট আন্দোলনের মুসলিমমানস উৎসারিত কিংবা হিন্দুমানস উৎসারিত, মুছে গেছে কর্তৃত্ববাদী স্মৃতি কিংবা ইতিহাস থেকে। যদি স্মৃতি কিংবা ইতিহাস মুছেই যায়, তাহলে যে স্মৃতি এবং ইতিহাস দিয়ে কোন কাজ হয় না। এমনকি ভাত রান্নার জন্য কাঠ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। আমাদের মধ্যে একটা জরুরী রাজনৈতিক তাড়া ছিল ন্যাশনাল পপুলারের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যগুলো খুঁজে বের করা। আমরা তা করতে পেরেছি। পাকিস্তানের জোয়াল কাঁধ থেকে নামাতে গিয়ে আমরা লড়াইয়ের পর লড়াই করেছি। একদিকের লড়াই ভাত–কাপড়ের লড়াই, অন্যদিকে লড়াই সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই। কতিপয় মুসলমানের পাকিস্তানপ্রীতি এবং কতিপয় হিন্দুদের ভারতপ্রীতি সাম্প্রদায়িকতা টিকিয়ে রেখেছে। স্বাধীন রাষ্ট্র এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের বোধ আমরা লড়াই করে প্রতিষ্ঠিত করেছি। এই লড়াই অব্যাহত। দীর্ঘদিন পরাধীন থাকার কারণে আমরা স্বাধীনতাকে সার্বভৌম করতে পারছি না। আমরা লড়াই করে শিখেছি সাম্প্রদায়িক হলে স্বাধীন হওয়া যায় না সার্বভৌম হওয়া যায় না। আমরা পাকিস্তানের পক্ষে স্বাধীন নই কিংবা ভারতের পক্ষে স্বাধীন নই। আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। শেষ পর্যন্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র ও জাতি।
এই বোধ থেকে আমরা ইতিহাসের অভিজ্ঞতা নির্মাণ করেছি। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তি মানুষী মুল্যবোধ নিরন্ত্র মানুষদের রাষ্ট্রও নির্মাণের অভিজ্ঞতা। আমরা ইতিহাসের সম্মুখীন হয়েছি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, মূল্যবোধের সার্বভৌমত্ব, ইতিহাস ব্যাখার সমস্যা নিয়ে। আমরা বুঝতে শিখেছি আমাদের সকল লড়াই স্বাধীন রাষ্ট্রের দিকে চিরন্তন অগ্রসর। নিরস্ত্র মানুষ লড়াই করে পাকিস্তানের কলোনি ভেঙ্গেছে। আমরা ফের কোন রাষ্ট্রের কলোনি হওয়ার জন্য লড়াই করিনি। আমাদের লড়াইয়ের সকল রাস্তা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের দিকে। নিরস্ত্র মানুষ লড়াই করে একটা পাবলিক আইডেনটিটি তৈরি করতে পারে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার তার উজ্জ্বল প্রমাণ। নিরস্ত্র একটা জনসমষ্টি লড়াই করে একটা পাবলিক আইডেনটিটি তৈরি করতে পারে, এই বোধ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের অবাক করে দিয়েছি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যূদয়ের পেছনের এই নৈতিক বাস্তবতা কখনও ভোলা যায় না। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ১৯৭১ সালে এখানে লড়াই করতে আসেননি, তারা এই নৈতিক বাস্তবতার পেছনে নিজেদের দাঁড় করিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রকৃত রাজনৈতিক উপস্থিতি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে শিহরিত করেছে। এভাবেই মানুষ নিজেদের ইতিহাস তৈরি করে, এভাবেই রাজনীতি ও ইতিহাস একাকার হয়ে যায়। এখানেই বেঁচে থাকার নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা এবং এই অভিজ্ঞতাই বাঙালিদের রাষ্ট্র নির্মাণের কেন্দ্রভিত্তিমূল।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখে বাংলা ভাষার মর্যাদা সমুন্নত রাখা ও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা করার জন্য কতিপয় মূল্যবান প্রাণ আত্মাহুতি দেয়। শেষ পর্যন্ত বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভে সক্ষম হয়। বাঙালির সংস্কৃতির সংরক্ষণে ও বিকাশে ৫২–এর ভাষা আন্দোলনের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। অবশ্য ৫২–এর পরেও বাঙালির ভাষা–সাহিত্য–সংস্কৃতির বিরুদ্ধে নয়া ঔপনিবেশিক শাসক–শোষকদের চক্রান্ত থেমে যায়নি। শাসকগোষ্ঠী জিকির তুলেছিল যে মেয়েদের কপালে টিপ পরা, উৎসব অনুষ্ঠানে আলপনা আঁকা ও মঙ্গলপ্রদীপ জ্বালানো, বসন্ত উৎসব, বর্ষাবরণ, নবান্ন উৎসব, বাংলা নববর্ষ উদযাপন প্রভৃতি হিন্দুয়ানি। এর মধ্যে যে হিন্দুত্ব বা মুসলমানিত্ব কিছুই নেই, এগুলি যে নিতান্তই যুগযুগের বাঙালি সংস্কৃতির অংশ এ সত্যটি তারা সজ্ঞানে উপেক্ষা করে। কিন্তু প্রগতিশীল বাঙালি সংস্কৃতিকর্মীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে বাংলা বর্ণমালার পরিবর্তে আরবি বা রোমান হরফ চালু হয়নি, বাতিল হবার পরিবর্তে স্বৈরাচারী পাকিস্তানী শাসনামলেই সারা বাংলাদেশ পরম উৎসাহ–উদ্দীপনার সাথে রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয়, বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ঐতিহ্য সশ্রদ্ধ স্বীকৃতি পায় এবং সামগ্রিকভাবে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটা উদার, ধর্মনিরপেক্ষ, জীবনধর্মী মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশ লাভ করে।
বাঙালি সংস্কৃতির দীপ্র চেতনাকে আশ্রয় করে বাঙালির জাতীয়তাবোধের স্ফুরণ ঘটে। বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির প্রগতিশীল ধারাগুলি আরো উজ্জ্বল ও বলিষ্ঠ হয়ে ওঠে। স্বাধীন বাংলাদেশে আজ আমারা বাঙালি সংস্কৃতির উজ্জ্বল উপস্থিতি নানা দিকে লক্ষ করি। আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথের গান ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।’ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি সংস্কৃতিকে তাঁর জীবদ্দশায় তুলে ধরেন তাঁর সার্বিক জীবনাচরণে, আহারে বিহারে পোশাকে, তাঁর আলাপচারিতায়, তাঁর বক্তৃতা–ভাষণে। জাতিসংঘে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দিয়ে আমাদের মাতৃভাষাকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং সম্প্রতি ইউনেস্কো কর্তৃক ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্থাপিত হল বাঙালি সংস্কৃতির আরেকটি বিজয় স্তম্ভ।
আজ বাঙালি সংস্কৃতি শুধু বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে আবদ্ধ নয়। ঐতিহাসিক কারণেই ভারতের পশ্চিম বাংলায় বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত আছে, যদিও সর্বভারতীয় সংস্কৃতির অভিঘাতে তা হয়তো সব সময় আশানুরূপ প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে বা স্ফূর্তি লাভ করেত সক্ষম হয় না। তবু বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলায় উভয় স্থানেই বাংলা নববর্ষ, রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন, নজরুলের জন্মদিন, একুশে ফেব্রুয়ারি, পয়লা ফাল্গুন প্রভৃতি বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক অনুষ্ঠান বিপুল উৎসাহের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইংল্যান্ডসহ ইউরোপের অনেক শহরে, কানাডায় ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সাহিত্য, সঙ্গীত সম্মেলন ও নাটকের প্রদর্শনীয় মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি আজ বিশ্বময় একটা পরিচিতি লাভ করছে। এ প্রসঙ্গে বইমেলার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, তার পরবর্তী পর্যায়ের স্বৈরাচারবিরোধী বিভিন্ন গণআন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে এ দেশের মানুষের মনে ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা দৃঢ় হয়, সংস্কৃতির প্রশ্নে সাম্প্রদায়িকতামুক্ত প্রগতিশীল চিন্তাধারার বিকাশ ঘটে এবং তারা উপলব্ধি করে যে তারা একাধারে বাঙালি ও মুসলমান এবং এর মধ্যে কোনো স্ববিরোধিতা নেই। আজ বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন–সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্রের নাগরিকরূপে তারা নিজেদের পরিচয় দিতে পারে একই সঙ্গে বাঙালি ও বাংলাদেশীরূপে। বাংলাদেশীরূপে আজ আমাদের দেশের একজন মানুষ নিজেকে আবিষ্কার করে একটা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে হিন্দু–মুসলমান–বৌদ্ধ খ্রিষ্টান নির্বিশেষে, তার ধর্মীয় পরিচয়কে অতিক্রম করে, একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে। তার সে–পরিচয় লিপিবদ্ধ থাকে তার পাসপোর্টে, যা অন্য যে–কোনো দেশের নাগরিক থেকে সবার সামনে তার একটা স্বতন্ত্র ও বিশিষ্ট পরিচয় দ্ব্যর্থহীনভাবে তুলে ধরে। একজন মুসলমান বা হিন্দু বা বৌদ্ধ বাঙালি তার ধর্মীয় পরিচয়ে নিজেকে আবিষ্কার করে একটি ধর্মীয় বৃত্তের মধ্যে, যা একান্তভাবে তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের অন্তর্গত এবং যা তাকে তার ধর্মাবলম্বী বিশ্বের অন্যত্র বসবাসকারী মানুষের সঙ্গে একটা আত্মিক মেলবন্ধনে বেঁধে দেয়, অন্তত তাত্ত্বিক দিক থেকে। আর বাঙালিরূপে সে নিজেকে আবিষ্কার করে একটা গৌরবোজ্জ্বল ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী উত্তরাধিকারী হিসেবে, সেখানে ভৌগোলিক বা রাষ্ট্রীয় সীমানা কিংবা ধর্মীয় বৃত্ত মুখ্য নয় এবং নৃতাত্ত্বিক, সামাজিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বিবেচনাই প্রধান বিশ্বের নানা মানুষের এই জাতীয় একাধিক পরিচয়ের বিষয়টি নতুন কিছু নয়। অতএব, শতে আটানব্বইজন সত্তায় বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রিক অখণ্ডতার ও একাত্মতার জন্যেই সাংস্কৃতিক পরিচয়ে বাঙালি এবং রাষ্ট্রিক পরিচয়ে বাংলাদেশি হতে হবে আমাদের।
(পরবর্তী পর্ব ০৬ মার্চ, ২০২৬-এ প্রকাশিতব্য)
ফিচার ফটো অলংকরণ: অভি মজুমদার
লেখক:

জুলফিকার নিউটন
লেখক, গবেষক ও অনুবাদক; ঢাকা
*প্রকাশিত এ লেখার মতামত এবং বানানরীতি লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাঙালীয়ানার সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকা অস্বাভাবিক নয়। তাই এখানে প্রকাশিত লেখা বা লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা সংক্রান্ত আইনগত বা বানানরীতি বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় বাঙালীয়ানার নেই। – সম্পাদক