স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ দেশব্যাপী নিরাপদে উদযাপন করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’। তিনি বলেন, রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান, চারুকলার মঙ্গল শোভাযা্ত্রাসহ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রবীন্দ্র সরোবর, হাতিরঝিল, কূটনীতিক পাড়ায় থাকবে বিশেষে নিরাপত্তা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ উন্মুক্ত স্থানে বিকাল ৫টার পর কোনো অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হবে না বলে জানান ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘অনুষ্ঠানের দিন পুরো ঢাকায় চলাচলের জন্য ট্রাফিক প্ল্যান করবে ডিএমপি। মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখে মুখোশ পরা যাবে না; তবে হাতে রাখা যাবে। শোভাযাত্রার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেউ নতুন করে এরমধ্যে ঢুকতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘অনুষ্ঠানে ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো যাবে না। পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বিকাল ৫টার পর কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ৬টার মধ্যে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে হবে। অনুষ্ঠানের আগের দিন ১৩ এপ্রিল বিশেষ স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া ঢাবি ক্যাম্পাসে চলতে পারবে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কূটনৈতিক এলাকা বিশেষ নজরদারিতে থাকবে। রাজধানীর হাতিরঝিল, রমনা পার্ক, গুলশান লেক, ধানমন্ডি লেকের মতো জনবহুল এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল থাকবে। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি থাকবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘ইভটিজিং করা যাবে না। এ বিষয়টি দেখার জন্য সাদা পোশাকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা থাকবেন। মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফেসবুক, টুইটারের যেন কেউ অপব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে মনিটর্রিং করা হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ যেন পহেলা বৈশাখ নিয়ে অপপ্রচার করতে না পারে তা মনিটরিং করা হবে।”