অষ্টাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রদর্শনী মঞ্চগুলো জমে উঠেছে দেশবিদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা, চলচ্চিত্র বোদ্ধা আর সুস্থ চলচ্চিত্রের দর্শকদের কলতানে।
প্রতিদিন প্রক্ষেপণ হচ্ছে ৫টি করে দেশীবিদেশী চলচ্চিত্র প্রতি মঞ্চে। ৫টি মঞ্চ ছাড়াও বসুন্ধরা সিটি ও সীমান্ত সিনেপ্লেক্সেও চলছে উৎসব চলচ্চিত্র। বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক সংখ্যা বেশী হলেও অন্যান্য দেশের যেমন, ভারত, ইরান, তুরস্ক, কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের চলচ্চিত্র দর্শক নন্দিত হয়েছে।

মিস্টিক মেমোয়ারের একটি দৃশ্য।
বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। যেহেতু ঋতুপর্ণা-শুভ জুটির ‘আহারে’ এবং অপরাজিতা-জুবায়েরের ‘মিস্টিক মেমোয়ার’ বেশ দর্শক পেয়েছিল তাই উদ্যোক্তাদের আশা পরবর্তী দিনগুলোতে দেশীবিদেশী বাংলা যেমন বাংলাদেশের মাসুদ পথিকের ‘মায়া’, তানিম রহমান অংশুর ‘ন ডরাই’ কিম্বা ভারতের অঞ্জন দত্তের ‘ফাইনালি ভালবাসা’ ইত্যাদির দর্শক সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।
১১ থেকে শুরু হওয়া উৎসবে ৭৪টি দেশের ২২০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। উৎসবের ২২০টির মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য (৭০ মিনিটের বেশি) চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১১৭টি, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১০৩টি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র হচ্ছে ২৬টি যার মধ্যে ১৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন এবং ৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য।
বাংলাদেশ ছাড়া আর যে সব দেশের চলচ্চিত্র প্রদর্শীত হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আর্মেনিয়া, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, বাহরাইন, বেলজিয়াম, ভুটান, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, কিউবা, সাইপ্রাস, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, প্যালেস্টাইন, জার্মানি, গ্রিস, হংকং, হাঙ্গেরি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইটালি, জাপান, কাজাকস্তান, কসোভো, কিরগিস্তান, লাটভিয়া, লেবানন, লুক্সেমবার্গ, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, কাতার, রাশিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, সিরিয়া, তাইওয়ান, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, আরব-আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভেনিজুয়েলা, সাইপ্রাস।
বাঙালীয়ানা/এসএল