সীতাকুণ্ড ভ্রমণকাহিনী । আজমিনা তোড়া

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

এই তো কিছু দিন আগে, মানে নব্বই এর দশকে আমাদের দেশে ঘোরাঘুরি ব্যাপারটার এতটা প্রচলন ছিল না। এদেশের মানুষের কাছে ঘুরতে যাওয়া বলতে জীবনে সর্বোচ্চ একবার হয়তোকক্সবাজার যেত কেউ কেউ, তাও সবাই না।  ভ্রমণ ব্যাপারটা তখন উচ্চবিত্তদের দখলে।  সাধারণ মানুষ পাড়া বেড়ানোকেই ঘুরতে যাওয়া  বলে! সেই নব্বই এর দশকে সিলেট এর মত রক্ষণশীল একটা এলাকায় কয়েকজন পাগলাটে তরুণ মিলে ভ্রমণ বিষয়ক একটা সংগঠন করার মত দুঃসাহস দেখিয়ে ফেলল। সংগঠন এর নাম দিল ট্যুরিস্ট ক্লাব,  সাস্ট।  সাস্ট,  মানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।  সেই সময়ে মানুষজন এতটাই ভ্রমণ বিমুখ ছিল যে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পর্যন্ত ক্লাবটা নিয়ে রাতদিন রসিকতা আর হাসাহাসি করতেন।  “ট্যুরিস্ট ক্লাবও একটা ক্লাব? ঘুরতে যাওয়ার জন্য আবার ক্লাব করতে হয় নাকি! অদ্ভুত ব্যাপার-স্যাপার।  পড়াশোনা নাই, যত্তসব পাগলামি!”

সময় গড়িয়েছে পানির মত, সাস্টের ট্যুরিস্ট ক্লাব একটু একটু করে বড় হয়েছে৷শুধু সিলেটে নয়, সারা দেশে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়েছে ট্যুর গ্রুপ, ক্লাব, ট্রাভেল এজেন্সি।  ভ্রমণ এখন সমাজের সুবিধাপ্রাপ্তদের একার অধিকারে নেই।  দেশের সর্বস্তরের মানুষ এখন ভ্রমণ পিপাসু।

যে গল্পটা আজ বলতে যাচ্ছি সেটা ট্যুরিস্ট ক্লাবের সম্প্রতি সীতাকুণ্ড ভ্রমণকাহিনী।  মূলত এই ‘ভ্রমণ-শিকারী’ সংগঠনটির বড় একটা অংশ ভারতে ভ্রমণে গেছে।  যে সদস্যরা দেশের সীমানা অতিক্রম করতে পারছে না তাদের যাতে মন খারাপ না হয় তাই সংগঠনটি ওই ভারত সফর চলাকালীন অন্য সদস্যদের জন্য আয়োজন করে সীতাকুণ্ড ভ্রমণের।

মাত্র দুই দিনের ট্যুর।  ছোট্ট ট্র‍্যাকিং ট্যুর।  সংঙ্গী মাত্র ৬ জন।  দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল আমাদের মধ্যে ৩ জনের ট্র‍্যাকিং এর সাথে পূর্ব পরিচয় ছিল না।

যাদের পাহাড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা নেই তাদের জন্য বলছি, পাহাড় দূর থেকে দেখতে যত সুন্দর এর উপরে ওঠাঠিক ততটাই কঠিন। হাত-পা, পুরো শরীর ব্যাথায় একটা সময় অবশ হয়ে আসতে চায়।  শরীর,  মন দুটোই থেমে যেতে চায়। কিন্তু সামনেআগানো ছাড়া ভিন্ন উপায় থাকে না। আমি হলফ করে বলতে পারি সকল পর্বত আরোহী প্রতিবার পাহাড়ে ওঠার সময় এক পর্যায়ে অবশ্যই বলেন,  “এটাই শেষবার, আর পাহাড়ে আসব না!” তো আমাদের অভিযাত্রীরা শুধু মাত্র আত্মবিশ্বাস এর উপর ভর করে তারা রওনা করেছে।  রাতের ট্রেনে রওনা করলাম আমরা ৭ জন।  পাহাড়িকা ট্রেনের নব্বইডিগ্রিঅ্যাংঙ্গেলের সিটে বসে পৌঁছালাম ফেনি।  ফেনিতে খুব ভোরে পৌঁছালাম। ফেনি থেকে বাসে করে মিরেরসরাই।  সিএনজি করে খৈয়াছড়ার ট্র‍্যাকিং ট্রেইল পর্যন্ত।  তারপর শুরু হল হাঁটা। পাহাড়ি রাস্তায় সবথেকে বড় শত্রু হল কাদা, যাকে অনেকে আঞ্চলিক ভাষায় প্যাক, কেদা বা কেদো বলে থাকেন। এই সামান্য পিচ্ছিল হতে পারে আপনার মৃত্যুর কারণ। অসাবধানে পিছলে পড়লে রক্ষা নেই। কারণ আপনাকে আহত করার জন্য সুবিশাল পাহাড়ের স্তুপের অভাব নেই। পাহাড়ের পিচ্ছিল কর্দমাক্ত রাস্তায় সবাই কম-বেশি আছাড় খেয়ে খৈয়াছড়া রেঞ্জের ছোট বড় মিলিয়ে মোটামুটি ৮/৯ টা ঝর্ণা দেখে আমরা ক্লান্ত। হাঁটছি আর ভাবছি,  এই অক্টোবর মাসেই এত কাদা।  না জানি বর্ষাকালে কী ভয়াবহ মৃত্যুকূপে পরিণত হয়!সব থেকে ভয় পেয়েছি শেষ ঝর্ণাটাতে পৌঁছাতে।  যাওয়ার রাস্তাটার পাহাড় ছিলপ্রায়নব্বইডিগ্রিখাড়া।  পাহাড়ের গায়ে ছোটছোট গর্ত যার ভেতর কোন ক্রমে পায়ের আংগুলে ভর করে কোন ভাবে ব্যালান্স করতে হয়। পা এক ইঞ্চি এদিক ওদিক ফেললে একেবারে  কেল্লা ফতেহ যাকে বলে! গাছের সাথে গাছ দড়ি দিয়ে বাঁধা। এক হাতে সেই দড়ি ধরে,  আরেক হাতে লাঠির উপর ভর করে, অই ছোট্ট গর্তে পা ফেলে ফেলে সেই রাস্তায় ওঠা তো যায়, কিন্তু নামার সময় সেই রাস্তা পুলসিরাত থেকে কম কিছু নয়। বডি ব্যালান্স মানে না, গড়িয়ে গড়িয়ে নিচে পড়ে যেতে চায়। আর ওখানে একটা ভুল স্টেপ, মানে সরাসরি ‘মেধাবী ছাত্রের’ তালিকায় নাম লেখানো! তো আমরা সবাই যখন পুলসিরাত পেরিয়ে ঝর্নার পানিতে আয়েশ করছি, আমাদের তিনজন সফরসঙ্গীর তখনো ঝর্না দেখায় খায়েশ মেটেনি।  ‘তেনারা’ আরো উপরে উঠতে চান। উপরে আরো তিনটা পুলসিরাত সহ সাতটা ঝর্না।  ওদিকে সচরাচর কেউ যায় না। তাতে কি! আমাদের এডভেঞ্চার প্রেমিরা জানের মায়া আমাদের কাছে গচ্ছিত রেখে গাইড ছাড়াই ‘আল্লাকা ওয়াস্তে’ রওনা করলেন পুলসিরাত অভিমুখে। ঘন্টা দুই পর আমরা যখন ভাবছি ‘আল্লাহর মাল আল্লায় নিছে’, আমরা ফিরে যাই(যেহেতু আমরা পুলসিরাত পার করতে আগ্রহী না) তখন ওরা ফিরল। সেই মৃত্যুফাঁদ এর গল্প শুনে শীতল অনুভূতি হল মেরুদণ্ডে। সেখানেগিয়ে এক পর্যায়ে তারা না সামনে এগুতে পারছিল, না পেছনে ফিরতে। সফরসঙ্গীদের ফিরে পেয়ে জানে পানি ফিরল। এবার রওনা করলাম নাপিত্তাছড়া।  নাপিত্তাছড়ায় মোট তিনটা ঝর্ণা।  একটা থেকে পরেরটা বেশি সুন্দর। কিন্তু সারারাতের জার্নির ধকল, সকালের ট্র‍্যাকিং এ কান্ত হয়ে সবার প্রায় শরীর অবশ। তারপরও হাঁটতে হচ্ছে, ছড়ার পিচ্ছিল ক্যাসকেডে(যে রাস্তা দিয়ে ছড়ার পানি যেতে যেতে মাটি শক্ত হয়ে পাথরে পরিণত হয়েছে) আছাড় খেতে হচ্ছে! মাঝে একটা সুন্দর ঝর্ণা পেলাম। আমাদের সাঁতার পিপাসুরা যেই মাত্র ঝাঁপ দিতে যাবে, গাইড বলল এখানে আমাদের সাস্টের এক ভাই তিন বছর আগে মারা গেছে ।  ওই জায়গাটা দুই পাহাড়ের মাঝখানে, অনেকখানি গভীর। এলাকার লোকজন দড়ি ফেলে নাকি দু একবার চেষ্টা করেছে গভীরতা মাপার, লাভ হয়নি। শুনে সবাইকে সাঁতার কাটার প্ল্যান বাদ দিতে হল।  নাপিত্তাছড়া থেকে ফেরার পথে এই ট্যুরের সব থেকে ইন্টারেস্টিং যান এ চড়া হল।  নছিমন কিন্তু মনে হচ্ছিল রোলার কোস্টার।  একে তো রাস্তার ‘তিন অবস্থা’,  ড্রাইভারও বেপরোয়া।  শুধু বলল,  “ধরে বসেন। ” তারপর দিল হ্যাঁচকা টান!ঝাকি খেয়ে পড়লে নির্ঘাত নাক মুখ ফেটে রক্ত বের হবে!তবে এ দফাও আমরা অক্ষত অবস্থায় ফিরলাম।

খৈয়াছড়া,  নাপিত্তাছড়া ঘুরে রাতে থাকার প্ল্যান মহামায়া লেকে, রাতে করার কথা বারবিকিউ আর ক্যাম্প ফায়ার।  মহামায়া লেকে গিয়েই বাঁধল বিপত্তি।  দিতে হল ‘নারী’ হওয়ার খেসারত!ছেলেরা ক্যাম্পিং করতে পারবে।  মেয়েরা পারবে না।  শত অনুরোধ,  অনুনয়েও কাজে দিল না। কেন দেবে, মেয়েরা তো ঘরে থাকার ‘জিনিস’।  তাও সকাল থেকে এত ঘোরাঘুরি করেছি,  এইটাই তো সৌভাগ্য ।  তাদের বক্তব্য, মেয়েদের হোটেলে থাকতে হবে আর ছেলেরা ক্যাম্পিং করবে লেকের পাশে। হোটেলে ছেলেদের ছাড়া আমরা কিভাবে ‘নিরাপদ’ মাথায় আসল না। পূজার ছুটি হওয়ায় কোন হোটেলে রুম নেই। তবুও দ্বিগুণ ভাড়া গুণে একটা রুম ম্যানেজ করা গেল। আমাদের মেয়েদের ক্যাম্প ফায়ার করতে দেয়া হবে না বলে আমাদের ট্যুর কনভেনর মহামায়ায় অগ্রিম টাকা দেয়া,  আর বাকিদের অমত সত্ত্বেও ছেলেদের ক্যাম্পিং করার পরিকল্পনাও বাতিল করে দিলেন।  হোটেলে আমাদের মাত্র একটা রুম।  তাও সেটা অতি ছোট।  ক্লান্ত ছেলেগুলো (ট্যুরিস্ট ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবার) হোটেলের রিসিপশনে শুয়ে সারাটা রাত পার করল। সেও হয়ত এক অভিজ্ঞতা বটে!

পরদিন সকালে চন্দ্রনাথ পাহাড়। মোটামুটি মাত্র ১২০০ ফিটের পাহাড়ে ওঠার মূল প্রতিবন্ধকতা ছিল পাহাড়ের খাড়া সিঁড়িগুলো। আমরা নয়জন ( ২য় দিন আরো দুজন চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হয়েছিল) প্রথমবারের মত উপলব্ধি করলাম সিঁড়ি ভেঙে উপরে ওঠার চাইতে সিঁড়ি না থাকলে পাহাড়ে ওঠা সহজ।  এও বুঝলাম,  ৫/১০ তলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামা যতটা সহজ, ১২০০ ফিট উপর থেকে নামা ততটাই কঠিন। শরীর একবারে নিচে নামতে চায় দৌড়ে কিন্তু দৌড় দিলে ১২০০ ফিট নিচে পড়তে হবে।  তাই দৌড় দেয়া যাবে না।  ছোট বাচ্চাদের মত করে এক সিঁড়ি এক সিঁড়ি করে নামতে হবে।  মিনিট দশেক পর থেকে পা অবশ হয়ে কাঁপতে থাকে।

চন্দ্রনাথ থেকে নেমে গুলিয়াখালি সমুদ্রসৈকত। ছোট একটা দ্বীপের মত, কিন্তু ঠিক দ্বীপ না। আশপাশ টা ঝাউগাছ দিয়ে ভরা।  সাথে অচেনা এক গাছের শ্বাসমূল দিয়ে পুরো এলাকাটা ছাওয়া।  সারাটা বেলাভূমি জুড়ে খুব অদ্ভুত কিছু খোপ খোপ গর্ত।  গর্তগুলো কেন হয়েছে,  কে জানে! মজার ব্যাপার হল জোয়ারের পানিতে এই অদ্ভুত গর্তগুলো ভরে যায় এবং জোয়ারের পানি নেমে গেলেও গর্তগুলো ভরা থাকে।  এই বৈশিষ্ট্যই মূলত গুলিয়াখালিকে অন্য সৈকতগুলো থেকে আলাদা করে।  এখানকার ঘাসগুলোও অভিযোজিত।  ঘাসগুলো রূপান্তরিত হয়ে কাঁটার মত হয়ে গিয়েছে। খালি পায়ে হাঁটতে গেলে ঘাসগুলো কাঁটার মত পায়ে বিঁধে।

(গুলিয়াখালিতে গেলে কেউ খিঁচুড়ি আর সমুদ্রের ইঁলিশ খেয়ে আসতে ভুলবেন না!)।  অফিসিয়ালি আমাদের ট্যুর এখানেই শেষ।  কিন্তু আমাদের কনভেইনার সাহেব এখানে ট্যুর শেষ করতে নারাজ। আমাদের সিলেটের বাস রাত ১১ টায়।  বাকি সময় আমরা যাতে বোর না হই সেই ব্যবস্থা করলেন তিনি। ইভেন্ট এর বাইরের স্পট নিজ দায়িত্বে ঘোরালেন আমাদের।

সহস্রধারা।  লেক পার হয়ে ঝর্ণা দেখে ভিজব না,  ভিজব না করেও সবাই ভিজেছি। সারাদিনের ক্লান্তি, অবসন্নতা, চোখ ভেঙ্গে ঘুম কোথায় গায়েব! (সহস্রধারাতেও বন বিভাগ ক্যাম্পিং এর ব্যবস্থা রেখেছে।  শুধুমাত্র ছেলেদের জন্য এলাউড, দেখে হতাশা আরো বাড়ল।  কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত মেয়েদের নিরাপত্তার দায়ভার নিচ্ছে না।   ব্যাপারটা ভয়াবহ রকমের হতাশার। )

সহস্রধারা শেষে গেলাম কুমিরা ঘাট। এখানে সমুদ্রের উপর দিয়ে প্রায় দুই কিলো রাস্তা জুড়ে ব্রিজের মত বানানো হয়েছে। আশেপাশে বিশাল বিশাল জাহাজ নোংগোড় করা। হঠাত খেয়াল করলাম জাহাজগুলো কাদার মধ্যে আটকে আছে। নিচে পানি নেই। পরক্ষণেই মনে হল ভাটা চলছে।  জোয়ার আসলেই জাহাজগুলো হালে পানি পাবে।  কুমিরা ঘাটে সূর্যাস্ত দেখে আমাদের ট্যুর অনানুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হয়।

মাত্র দুই দিনে এত এত জায়গা দেখে আমরা সবাই হৃষ্টচিত্তে ফিরে এসেছি।  কিছু সুন্দর স্মৃতির সাথে কিছু খারাপ স্মৃতিও বয়ে এনেছি। পথে,  ঝর্ণায়, ছড়ায় মানুষের ফেলে আসা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট কতটা পরিবেশ নষ্ট করে তা আমরা বাঙালিরা কতকাল পরে বুঝব জানি না।  আশেপাশে অনেক জায়গায় বন বিভাগ ছোট ছোট সাইনবোর্ড লিখে দিয়েছে এসব প্লাস্টিক, পলিথিন না ফেলার জন্য। কিন্তু আমরা তো চোখ আর বিবেক দুটোই পকেটে নিয়ে ঘুরি। এত তো সময় নেই পলিথিন, প্লাস্টিকের খালি বোতল ব্যাগে করে বয়ে আনব।  পাহাড় থেকে নেমে লোকালয়ে নেই কোন পাবলিক টয়লেট। এত হাজার হাজার দর্শনার্থীদের জন্য পুরো সীতাকুণ্ড জুড়ে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি কোন পাবলিক টয়লেট।  ব্যাপারটা হতাশাব্যাঞ্জক। মানুষের ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা মেটাতে না পারলে কী করে সীতাকুণ্ড জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় পরিণত হবে?আর কষ্ট দিয়েছে মেয়েদের ভ্রমণে নীরবে নিরুৎসাহিত করা দেখে।  দেশের বাইরে গেছি,  সেখানে মেয়েদের ভ্রমণের ব্যাপারেকর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে ট্যুরিস্ট এলাকার লোকেরা পর্যন্ত কতটা আন্তরিক! আর আমাদের দেশে আঞ্চলিক প্রশাসন পর্যন্ত মেয়েদের নিরাপত্তা প্রদান করতে পারছে না এলাকার মোড়লদের প্রভাবের কারণে। আমি স্বপ্ন দেখি,  এমন একটা দিনের যেদিন আমাদের মেয়েরাও একদম একাকী এমন এডভেঞ্চার ট্যুরে যাওয়ার মত নিরাপত্তা পাবে। স্বপ্ন দেখি, কারণ স্বপ্ন দেখতে কোন ক্ষতি নেই।  স্বপ্ন দেখতে কোন এলাকার লোকের অনুমতি নিতে হয়না।

 

লেখক: আজমিনা তোড়া, অনলাইন এক্টিভিষ্ট

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.