যশোরের চাষড়ায় সরকারী ব্যবস্থাপনায় মাছের পোনা বিক্রির আধুনিক বিক্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে তেত্রিশ কোটি বাংলাদেশী টাকা(প্রায় ৩৯ লক্ষ ডলার) বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের প্রায় ৫২টি জেলায় যশোরে উৎপাদিত মাছের পোনার চালান যায়। কিন্তু এ অঞ্চলে মাছের পোনা বিক্রির জন্য কোন নির্ধারিত বাজার নেই। মহাসড়কের পাশে খোলা জায়গায় বসে পোনা বিক্রি করেন চাষীরা। তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রথমবারের মত নির্মিত হতে যাচ্ছে মাছের পোনার বিক্রয়কেন্দ্র। চাষীরা জানান, যে টাকা বরাদ্দ হয়ে গেছে। কিছু দিনের মধ্যেই তাঁরা নিজেদের একটি নির্দিষ্ট ঠিকানা পেতে যাচ্ছেন। যশোরে চল্লিশটি হ্যাচারিতে বছরে ৫৪ হাজার কেজি রেণূ উৎপাদিত হয়। সহস্রাধিক নার্সারিতে রেণূ লালনপালন করে উৎপাদন করা হয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ৫০ কোটি পোনা, যার দাম প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সাল পর্যন্ত বলে জানান যশোর জেলা মৎস উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক। ২০১৯ সালের মধ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জেলা মৎসব্যবসায়ী ও হ্যাচারির মালিকেরা মৎসচাষীদের স্বপ্নের বিক্রয়কেন্দ্র প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানান। তাঁরা বলেন যে পোনার বিক্রয়কেন্দ্র হয়ে গেলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে লাভবান হবেন, কেউ প্রতারিত হবেন না। মৎসপল্লীখ্যাত চাষড়ায় নতুন বিকয়কেন্দ্রটিতে আধুনিক পদ্ধতিতে মাছের রেনূ ও পোনা সংরক্ষণ, পানির রিসাইক্লিং পদ্ধতি, রোগ শনাক্তকরণসহ নানান সুযোগসুবিধা থাকবে।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.