পাসপোর্ট ছাড়াই বিমান পাইলট গেল কাতারে প্রধানমন্ত্রীকে আনতে

Comments

ফজল মাহমুদ নামের ঐ পাইলটকে পাসপোর্ট সঙ্গে না থাকায় বুধবার দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন ‘আটকে দেয়’।

তবে বিমান সচিব মহীবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, “বুধবার রাতের ওই ঘটনায় কাতারে ওই পাইলটকে আটক করা হয়নি। তাকে একটি হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে তার পাসপোর্ট পাঠানো হয়েছে।”

বিমান সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার ফ্লাইটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদকে। তার পরিবর্তে বিমানের অন্য পাইলটকে পাঠোনো হয়েছে।

পাসপোর্ট ছাড়া ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ কীভাবে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের ইমগ্রেশন পার হলেন সে তথ্য অনুসন্ধান করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময়ের সিসি ক্যামরার ফুটেজ সংগ্রহ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পাইলটদের বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ত্যাগ ও প্রবেশের তথ্য জেনারেল ডিক্লেয়ারেশনের (জিডি) কপিতে সন্নিবেশিত থাকে। সেখানে পাইলটের নাম, ফ্লাইট নম্বর, কোন দেশে যাচ্ছেন, এসব তথ্যের পাশাপাশি পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকে এবং ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ পাসপোর্ট দেখে জিডি’র কপিতে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।

এ প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মুহিবুল হক বলেন, ‘পাইলট কীভাবে পাসপোর্ট ছাড়া ইমিগ্রেশন পার হলেন, এটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ সেই পাইলটকে ভিভিআইপি ফ্লাইটের দায়িত্বে থেকে সরিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পাইলট যখন ইমিগ্রেশন ক্রস করবেন, তখন তার সঙ্গে সব কাগজপত্র থাকলেও তার পাসপোর্টটি দেখতে চাইবেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। পাসপোর্ট চেক ছাড়া কোনও পাইলটকে ছাড়ার সুযোগ নেই। এটা বাধ্যতামূলক। পাসপোর্ট ছাড়া কীভাবে পাইলট কাতার গেলেন, আমরা তা জানতে চেয়েছি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে তুমুল ঝড় উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা প্রটোকল তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে এখানে।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.