চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলা পশ্চিম চাম্বল আজিজিয়া কাশেমুল উলুম বালক-বালিকা মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ঐ মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান বাঙ্গালীয়ানাকে বলেন, প্রতিদিন বিকেলে মাদ্রাসা ছুটির পর মাদ্রাসাতেই ওই ছাত্রীসহ কয়েকজনকে প্রাইভেট পড়াতো ফয়জুল্লাহ। ২৪ এপ্রিল, ২০১৯, ওই ছাত্রী ছাড়া অন্য ছাত্রীদের ছুটি দিয়ে দেয় ফয়জুল্লাহ। এরপর মাদ্রাসাতেই তাকে ধর্ষণ করে। ছাত্রীটি বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় তার মাসহ পরিবারের অন্যরা এসে মাদ্রাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে।
র্যাব কর্মকর্তা জানান, ঘটনার পর বিষয়টি মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। মাদ্রাসাটির পরিচালক ও ফয়জুল্লাহর নিকট আত্মীয় মাহমুদুল্লাহর মধ্যস্থতায় মেয়েটিকে ফয়জুল্লাহর সাথে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়। এজন্য ২৫ ও ২৭ এপ্রিল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের উপস্থিতিতে দুই দফায় বৈঠক হয়। এক পর্যায়ে ফয়জুল্লাহ এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এরপর ১ মে ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়। তখন আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি।
মামলা হওয়ার পর ওই ছাত্রীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ফয়জুল্লাহ নিজের বাড়িতে এসেছে এ খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে বাঁশখালি থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয় বলে জানান র্যাব-৭ এর অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান।
ছবি: সংগৃহীত
বাঙালীয়ানা/এসএল