বাংলার নায়ক জসিমের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Comments
বাংলা সিনেমায় তার শুরুটা ভিলেন হিসেবে। তবে, পরবর্তীতে ‘অ্যাকশন হিরো’ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন চিত্রনায়ক জসিম। ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান তিনি। আজ তাঁর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই অভিনেতার কিছু অজানা তথ্য জেনে নেওয়া যাক-

১. নায়ক জসিমের আসল নাম আবদুল খায়ের জসিমউদ্দিন। তবে তিনি জসিম নামেই পরিচিত ছিলেন।

২. ১৯৭৩ সালে জহিরুল হকের ‘রংবাজ’ ছবিতে খলনায়ক হিসেবে অভিনয় জীবন শুরু করেন তিনি।

৩. পরবর্তীতে জহিরুল হকেরই পরিচালনায় ‘সবুজ সাথী’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রধান চরিত্রে  প্রথম অভিনয় করেন।

৪. ‘দোস্ত দুশমন’ ছবির মাধ্যমে জসিম তুমুল জনপ্রিয়তা পান। ‘দোস্ত দুশমন’ ছবিটি হিন্দি সাড়াজাগানো ফিল্ম ‘শোলে’ ছবির রিমেক। ছবিটিতে তিনি গব্বারের চরিত্র করেছিলেন। শোলে ফিল্মের নামকরা চরিত্র গব্বার সিং এর অভিনেতা ভারতীয় খলনায়ক আমজাদ খান পর্যন্ত জসিমের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন।

৫. তিনিই একমাত্র নায়ক, যিনি নায়িকা শাবানার সাথে একই সাথে প্রেমিক এবং ভাইরূপে চরিত্রদান করেছিলেন এবং দুটি চরিত্রই দর্শকনন্দিত হয়েছিলো। যে শাবানা ‘সারেন্ডার’ ছবিতে জসিমের প্রিয়তমা হিসেবে সফল হয়েছেন, সেই শাবানা ‘অবদান’, ‘মাস্তান রাজার’ মতো ছবিতে জসিমের বড় বোন হয়ে সফল হয়েছিলেন।

৬. জসিমই আবিষ্কার করেছিলেন আজকের নায়ক রিয়াজকে। ১৯৯৪ সালে রিয়াজ চাচাতো বোন ববিতার সাথে বিএফডিসিতে ঘুরতে এসে নায়ক জসিমের নজরে পড়েন। জসিম তখন তাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। ১৯৯৫ সালে জসিমের সাথে ‘বাংলার নায়ক’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করেন রিয়াজ।

৭. চিত্রনায়ক জসিম ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে দুই নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।

৮. জসিমের মৃত্যুর পর এফডিসিতে তাঁর নামে একটি ফ্লোরের নামকরণ করা হয়।

৯. জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন নায়িকা সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক ছবির নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তার মেয়েকে বিয়ে করেন।

১০. জসিমের তিন ছেলে। রাতুল, রাহুল, সামি। তারা তিনজনই মিউজিশিয়ান। যার মধ্যে রাতুল ও সামি ‘Owned’ ব্যান্ডের বেজিস্ট ও ড্রামার আর রাহুল ‘Trainwreck’ ব্যান্ডের গিটারিস্ট।

 

বাঙালীয়ানা/এসএস/এআর

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.