ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরী ধর্ষণ

Comments
সারা রাত আটকে রেখে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর তার বাড়ির পাশে ফেলা রেখে যায় ধর্ষক। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি গ্রামের এ ঘটনায় বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচারিক হাকিম ফারজানা আক্তারের আদালতে ধর্ষণের বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছে ধর্ষিত কিশোরী। রাতভর ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণের শিকার হওয়ার বিষয়টি আদালতের কাছে বলেছে মেয়েটি। পরে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার, ৭ এপ্রিল, ২০১৯, ষষ্ঠ শ্রেণীর ওই ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ফারুক মিয়া (২৮) তার দুই সহযোগী শাহরিয়া ও মিঠু পাঠানের সহযোগিতায় ওই ছাত্রীকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ফারুকের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সারা রাত আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ফারুক। এদিকে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও ছাত্রীটি বাড়ি না ফেরায় স্বজনেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কিশোরীর মা সব আত্মীয়স্বজনের বাসায় খোঁজ করেও মেয়ের সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে ফারুক মিয়া ও তার সহযোগীরা মেয়েটিকে চলন্ত অটোরিকশা থেকে তার বাড়ির পাশে ফেলে চলে যায়। বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে।

থানা সূত্র জানায়, গতকাল মঙ্গলবার মেয়েটির মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে কসবা থানায় মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি ফারুক মিয়া। অপর দুই আসামি শাহরিয়া ও মিঠু পাঠান। তাঁরা সবাই পলাতক।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেক বলেন, মেয়েটিকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা থানায় মামলা করেছেন। এতে ফারুকসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বাঙালীয়ানা/এসএল

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.