খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলার নয় মাইল পাড়ার স্থানীয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী পূর্ণা ত্রিপুরার ক্ষত বিক্ষত লাশ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, মেয়েটির নাম পূর্ণা ত্রিপুরা (১২) পিতা মৃত নর্তন ত্রিপুরা (৪০/৪৫), বাড়ি দীঘিনালা নয় মাইল ত্রিপুরা পাড়া রাস্তার পাশে, বাবা চার বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়।
গতকাল (২৮ জুলাই) বেলা ২ ঘটিকার সময় ক্লাস বিরতির পর বাসায় যায়। এরপর সে আর স্কুলে ফিরে যায়নি বলে তার সহপাঠীরা জানায়। বিকেলে জুম থেকে ফিরে এসে দেখে মেয়ে বাড়িতে নেই, খোজাখুজি করতে করতে রাত ১১টায় মেয়েটির ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় লাশ পাওয়া যায়। ধর্ষণকারীরা মেয়েটি দুই হাত কনুই বরাবর ভেঙে দিয়েছে। এ ছাড়া মেয়েটির গোপনাঙ্গসহ একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

দীঘিনালা থানার ওসি মো. আব্দুস সামাদ জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি অবগত করেন। পরে ভিকটিমের বাড়ির ১৫০ ফুট নিচে একটি ছড়া থেকে রাত সোয়া ১১টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে বর্তমানে এলাকার পরিবেশ থমথমে। খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি-লংগদু সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।