শত বাধা বিপর্যয় পেরিয়ে “কথা ছিল; রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত”, রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সফলভাবে আয়োজিত হলো নবীন বরণ ও ২৬ তম সম্মেলন। ২৭ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত সালাহ উদ্দীন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী কাজী নুরুল আবছার।
চুয়েটের স্বাধীনতা চত্বরে শুরু হওয়া সম্মেলনে শুরুতেই জাতীয় সঙ্গীত এবং দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এর পর একটি শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রার পর চুয়েট ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মনীষী রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল আবছার, কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য নাহিদ আল মোস্তফা, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য অভিজিৎ বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য অটল ভৌমিক, সম্মেলনের আহবায়ক দীপন মুখার্জী।

আলোচনায় মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার প্রশ্ন রেখে যান মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে কেনো বাক স্বাধীনতার গলা টিপে ধরা হয়েছে? অটল ভৌমিক বলেন ক্যাম্পাসে হামলামূলক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়৷ অনুষ্ঠানের মূল আলোচক লিটন নন্দী ছাত্র ইউনিয়নের গৌরবান্বিত ইতিহাসের প্রতি আলোকপাত করে হুঁশিয়ার করে বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন শত প্রতিকূলতার মধ্যেও লড়াই সংগ্রাম জারি রাখবে। অবিলম্বে ক্যাম্পাসগুলোতে গণতন্ত্র পুনঃস্থাপন করতে হবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনি বক্তব্যে মনীষী রায় ছাত্র ইউনিয়নের সাফল্য কামনা করে ২৫ তম কমিটি বিলুপ্ত করেন এবং ২৬ তম সম্মেলনের মাধ্যমে নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হন সৌমেন সাহা (যন্ত্রকৌশল ৪র্থ বর্ষ), সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন লাবিব ওয়াহিদ (কম্পিউটার কৌশল ৪র্থ বর্ষ), সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন দীপন মুখার্জী (টেলিকৌশল ৪র্থ বর্ষ)।
উল্লেখ্য গতকাল ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন বিদায়ী সভাপতি মনীষী রায়।
বাঙালীয়ানা/এআর