১৫ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার জামিন আবেদনের পর চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে জামিনের আদেশ দেন। জামিন আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শহীদুলের স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ।
সহপাঠীর নিহতের ঘটনায় বিচার দাবি ও নিরাপদ সড়ক চেয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরায় বক্তব্য দিয়েছিলেন শহিদুল আলম। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে শহিদুলকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে ফেসবুক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা করা হয়।
গত ৬ নভেম্বর আইসিটি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলম হাইকোর্টে আবার জামিনের আবেদন করেন। গতকাল (বুধবার) বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার তার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন। এর আগে ২৯ অক্টোবর শহিদুল আলমের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয় হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ।
৭ অক্টোবর আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট।
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় হাইকোর্টে এই জামিনের আবেদন করেছিলেন শহিদুল আলম। এ ছাড়া এ মামলায় শহিদুল আলমের একটি জামিন আবেদন নিম্ন আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে প্রথম দফায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়।
বাঙালীয়ানা/এমএইচ/জেএইচ