নিরাপদ সড়ক  আন্দোলনে গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের উপর হামলার মামলায়, গ্রেফতার দেখানো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ শিক্ষার্থীর জামিন দিয়েছেন আদালত। বাকী ৬ শিক্ষার্থী এখনও কারাগারেই আছেন।

ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক এ কে এম মঈন উদ্দীন সিদ্দিকী ১৫ জন শিক্ষার্থীর শুনানি শেষে পৃথক দুই মামলায় এ আদেশ দেন। ওপর এক শিক্ষার্থীর জামিন দেন মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরু।

জামিন প্রাপ্তরা হলেন, সাখাওয়াত হোসেন নিঝুম, শিহাব শাহরিয়ার, আজিজুল করিম অন্তর, মাসহাদ মুর্তজা আহাদ, মেহেদী হাছান, ফয়েজ আহমেদ, নূর মোহম্মদ, আজিজুল হক, মো. হাছান, দোয়ান আহম্মেদ, তরিকুল ইসলাম, রেজা রিফাত আখলাক, এ এইচ এম খালেদ রেজা, রাশেদুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান ও ইফতেখার আহমেদ।

উল্লেখ্য, এ মাসের শুরুর দিকে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে, নর্থ-সাউথ, ইস্ট ওয়েস্ট, এ আই ইউ বি, সাউথ-ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশ। বাড্ডা ও ভাটারা থানায় আটক দেখিয়ে করা মামলায় প্রথমে দুইদিনের রিমান্ড এবং পরবর্তীতে কারাগারে পাঠায় আদালত। প্রত্যাক শুনানিতেই করা জামিন আবেদন নাকচ করে দেয় আদালত। আটক শিক্ষার্থীদের কোন ধরণের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া যাওয়ায় বিভিন্ন মহল থেকে আটক শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তির জোরালো দাবি উঠতে থাকে।

গত শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৮, আটক ২২ শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডাকা হয় বাড্ডা থানায়। এ সময় তাদের মামলার খোঁজ খবর নেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এসময় পুলিশ কর্মকর্তারা আটককৃতদের জামিনের ব্যপারে অভিবাবকদের আশ্বস্ত করেন বলে অভিবাবক সূত্রে জানা যায়।

বাঙালীয়ানা/আআ/জেএইচ

 

 

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.