লেখক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সংক্ষিপ্ত সফরে লন্ডন থেকে দেশে আসার পর তাকে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। ঢাকা ক্লাবের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার রশিদুল হক এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

আবদুল গাফফার চৌধুরী ( ফাইল ছবি )
আবদুল গাফফার চৌধুরীকে কেন্দ্র করে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে বসে নানা অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের মিলনমেলা। তাদের শুভেচ্ছা আর শ্রদ্ধায় সিক্ত হন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র স্রষ্টা।
গতকাল শনিবার ( ২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা ক্লাবে আমরা ক’জনা শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বীকন গ্রুপ এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গুণী এই ব্যক্তিকে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে আসেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাংবাদিক কামাল লোহানী, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আমির উল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির উপদেস্টা মঞ্জুরুল আহসান খান ও মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি জি এম কাদের ও শেখ শহিদুল ইসলাম, সহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের অতিথি’রা বলেন, গাফফার চৌধুরী বিদেশে থাকলেও তার সমস্ত চিন্তা বাংলাদেশকে ঘিরে। তিনি নিজেকে পরিণত করেছেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে। দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে প্রয়োজনীয় মুহূর্তে সতর্ক করেছেন সবাইকে, কলম ধরছেন প্রিয়জনদের বিপক্ষেও।
গাফফার চৌধুরীর সৃষ্টির প্রতি মুগ্ধ বক্তারা বলেন, তার বিদায়ে দেশে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। আরও অনেক বছর তার লেখায় যেন জাতি দিক নির্দেশনা পায়, সে প্রত্যাশা তাদের। আর বরেণ্য এ লেখক জানালেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা।
বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, আবদুল গাফফার চৌধুরী ততদিন অমর হয়ে থাকবেন- এমনটাই বলেছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেন, নানা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ শ্রদ্ধা তার প্রাপ্য।
