আজ সন্ধ্যা আড়ে ছ’টায় অঁলিয়েস ফ্রঁসেস ঢাকায় প্রদর্শনী হলো কামরুল আহসান লেনিন পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঘ্রাণ।’ ২০১৪ সালে এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ সরকারের অনুদান পায়। ধারাবাহিকভাবে ২০১৬ সালে নির্মিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়।
লেখক মাসউদুল হকের ছোট গল্প ‘ঘ্রাণ’ হতে এই চলচ্চিত্রের পাণ্ডুলিপি করা হয়। প্রদর্শনী শেষে পরিচালক কামরুল আহসান লেনিন বলেন, “এই গল্পটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমি স্পষ্টতই আমার প্রাণোচ্ছল শৈশবকে টের পেয়েছিলাম। আমাদের সুন্দর শৈশব এর কথা এখনকার ছেলে-মেয়েরা অনুভব করতে পারে না। আমরাই তাদের শৈশবকে আবদ্ধ করে ফেলেছি দিনে দিনে।” গল্পকার মাসউদুল হকের কথা বলতে গিয়ে লেনিন বলেন, “মাসউদুল হকের এই গল্পের জন্য আমি তার কাছে ভীষণরকম কৃতজ্ঞ। তার গল্পই আমাকে মূলত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে আকৃষ্ট করেছে। যদিও এটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, তবে আমরা এখানে ফিচার ফিল্মের ট্রিটমেন্ট দিয়ে একটি পরিপূর্ণ ফিল্ম বানাতে চেষ্টা করেছি।” তিনি আরো জানান, “আমাদের দেশে এখন তো সিনেমা দেখার জায়গাটুকুও নেই। আমাদের সবার পক্ষে তো সিনেপ্লেক্সে গিয়ে পাঁচশ টাকা দিয়ে সিনেমা দেখা সম্ভব না। বছরে দুই তিনবার সেটা হয়ত সম্ভব! আমাদের সরকারের পক্ষ হতে যদি কোনো উদ্যোগ না নেয়া হয়, তাহলে আমাদের সিনেমার যে রুগ্ন অবস্থা, সেটা আরো প্রকট হবে।” এই চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী তানভীর আলম সজীব বলেন, “যেকোনো কাজের জন্য টিম ওয়ার্ক খুবই জরুরী। আর ফিল্মের জন্য বলেন কিবা যেকোনো আর্ট ফর্মের জন্য সেটার উপস্থিতি আরো প্রবল থাকা বাঞ্ছনীয়। এই কাজটি করতে গিয়ে আমি সবার সহযোগিতা পেয়েছি। সবাই আমাকে সাজেশন দিয়ে সবসময় গাইড করেছেন। আমি এই ফিল্মের সাথে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
কামরুল আহসান লেনিন সবার শেষে অঁলিয়েস ফ্রঁসেস ঢাকা’কে এই আয়োজনের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
