ক্যারিয়ারের শুরুর দিকটায় শান্ত স্বভাবে ব্যাটিং করা তামিমকে স্বপ্নেও ভাবা যেতো না। দর্শক ও দেখতে চাইতো তামিমের ঝড়। সেই তামিম এখন স্থির, সতর্ক; কেননা সে দলের পঞ্চপান্ডবের একজন।

আজ তেমনি একটি সতর্ক কিন্তু দায়িত্বশীল ইনিংস দেখলো গায়ানার প্রভিডেন্স ইস্টেডিয়ামে বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার প্রথম ওডিআই দেখতে আশা গুটি কয়েক দর্শক। টস জিতে বাংলাদেশের কাপ্তান মাশরাফি ব্যাটিং এ পাঠান তামিমকেই, সাথে সঙ্গী বিজয়। কিন্তু দ্বিতীয় ওভার এ বিজয় শুন্য রানে সাজঘরে ফেরেন দলকে বিপদে ফেলে। তামিমকে সঙ্গ দিতে মাঠে নামেন দীর্ঘদিনের বন্ধু সাকিব। দেখেশুনে পার্টনারশিপ গড়েন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই দুই ব্যাটিং কান্ডারী। তাদের দৃঢ়তায় দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ২০৭ রানের পার্টনারশিপ করে রেকর্ড করেন এই দুই বন্ধু।

২০৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ার পথে সাকিব ও তামিম

দেখেশুনে খেলতে থাকা সাকিব ইতস্তত নব্বই এ কাঁটা পড়েন ৯৭ রান করে। আরেক প্রান্ত আগলে রাখেন ওপেনার তামিম ইকবাল। পরের ওভারেই ক্যারীয়ারের দশম শতক তুলে নেন তিনি। শুরুটা ধীরে হলেও শেষ দিকে দ্রুত রান তোলায় মনযোগী হোন তামিম। ঠিক ক্যারিয়ার এর শুরুর দিকটার মতন। তবে সাথে যুক্ত ছিলো অনেক বেশী আত্মবিশ্বাস। শেষ পর্যন্ত ১৬০ বল খেলে ১৩০ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম ইকবাল। স্লো পিচ এবং আউটফিল্ডের যে উইকেটে টিকে থেকে রান পাওয়া যায় তার ই প্রমান দেখিয়েছেন তামিম ও সাকিব। তাদের রানে ভর করেই ২৭৯ রানের ইনিংস এ ভর করে জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ দল।

মন্তব্য করুন (Comments)

comments

Share.