এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই শ্রীলংকাকে ১৩৭ রানে হারিয়ে মিশন শুরু করলো টিম বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা জয় পেলো টাইগাররা।
২৬১ রানের জবাবে ইনিংসের শুরু থেকে একেরপর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু শ্রীলংকার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলেই উড়ন্ত শ্রীলংকাকে মাটিতে নামানোর ইঙ্গিত মুস্তাফিজের। প্রথম স্বীকার কুশাল মেন্ডিস।
পরের ওভারের শেষ বলে শুরু হলো মাশরাফির কৌশলী শিকার। বিদায় নিলো ঝড়ো শুরু করা থারাঙ্গা। নিজের তৃতীয় ওভারে আবারও মাশরাফির আঘাত। এবারের শিকার ধনঞ্জয়া ডি সিল্ভা। কুসল পেরেরা কিছুক্ষণ থিতু হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাকেও বিদায় করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১১ রানে ব্যাট করতে থাকা এই মারকুটে ব্যাটসম্যানকে এলবিডাব্লিউ করেন মিরাজ। সেখান থেকে জুটি গড়তে থাকেন ম্যাথিউস ও শানাকা। মাঝে মাশরাফি ও নাজমুল অপুর ভুল বোঝাবুঝিতে জীবন পান শানাকা। কিন্তু ১৬তম ওভারে ম্যাথিউস-শানাকার ভুলে রান আউটে কাঁটা পড়তে হয় শানাকাকে।
সতেরোতম ওভারে নিজের প্রথম ওভারে বল করতে আসেন রুবেল হোসেন। সেই ওভারেই তুলে নেন এঞ্জেলো ম্যাথিউসের উইকেট। আবারও এলবিডব্লিউ। পরের ওভারে বল হাতে আবারও মিরাজ। চতুর্থ বলে এলবিডব্লিও আবেদনে অহেতুক রিভিউ নিয়ে দলের কথায় বসলেন অধিনায়ক মাশরাফি। কিন্তু বল যে ব্যাটেই লাগে তা স্পষ্ট হয় টিভি রিপলেতে। পরের বলেই মিরাজের ঘূর্ণিতে ক্যাচ তুলে দেন থিসারা পেরেরা। লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের ছাপিয়ে রান তুলছিলেন লাকমাল। কিন্তু ব্যক্তিগত ২০ রানে অসাধারণ এক বলে লাকমালকে প্যাভিলিয়নের রাস্তা চিনিয়ে দেন মুস্তাফিজ।
শেষের দিকে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন দিলরুয়ান পেরেরা এবং আপন্সো। যেনো বাংলাদেশের জয়ের অপেক্ষা বাড়ানোর চেষ্টা। কিন্তু ৩৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই দিলরুয়ানকে ফেরান মোসাদ্দেক সৈকত। সবশেষ আঘাতটি হানেন সাকিব আল হাসান। তাতেই ৩৫.২ ওভার খেলে ১২৪ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলংকা। বাংলাদেশ হয় পায় ১৩৭ রানে।
এর আগে মুশফিক-মিথুনের ব্যাট ধরে ২৬১ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে বাংলাদেশ।
আরোও পড়ুন: এ এক নতুন তামিম!
বাঙালীয়ানা/জেএইচ