কলকাতা প্রমিয়ার লিগে এফসিআই-কে এক গোলে হারিয়ে দিল কলকাতা মহামেডান । দলের হয়ে একমাত্র গোলটি প্রসেনজিৎ চক্রবর্তীর। সাদা-কালো জার্সিতে ফুটবলাররা কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন তা জানে কলকাতা ময়দান। তবে এফসিআই-এর বিরুদ্ধে ছেলেদের কাছ থেকে নিশ্চয়ই আরও কিছু প্রত্যাশা ছিল মহমেডান কোচের। গোটা প্রথমার্ধ গোলশূন্য। ম্যাচটি ড্র-ই হচ্ছে যখন ধরে নেয় গোটা ময়দান, তখনই প্রসেনজিতের গোলে মুখরক্ষা হয় মহমেডানের।
ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৪ ও ১৬ দলে খেলেছেন প্রসেনজিত্। সাফল্যও পেয়েছেন। ফ্রান্সে ফ্র্যাঙ্ক রিবেরির ক্লাব মেতজ এফ সি-র অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে এখন অনেক পরিণত প্রসেনজিত্। চোখে বড় স্বপ্ন। বলেন, কলকাতার বড় দলের জার্সিতে গোল করে দারুণ খুশি। এদিকে, জিতলেও দলের খেলায় খুশি নন মহমেডান কোচ রঘু। বলেন, ‘মূলত মাঝমাঠ ও আক্রমণে উন্নতি জরুরি। বোঝাপড়া বাড়াতে হবে বিদেশি স্ট্রাইকার এমেকাকে নিয়ে আরও ঘষামাজা করতে হবে। বাজ্জোর খেলা ভাল লাগেনি। ফিটনেসের সমস্যা আছে দেরিতে দলে যোগ দেওয়ায়। ডোডোসের অভাবটা বোঝা গেছে। ওকে ধরে নিয়েই তো মরশুমের শুরুতে এগিয়েছিলাম। ওর চোটটা অনেক প্ল্যানিং গুলিয়ে দিয়েছে। গোল না আসায় চাপ বাড়ছিল। প্রসেনজিতের বিশ্বমানের গোলটা পুরো পয়েন্ট এনে দিয়েছে। আমিরুল নামার পর আক্রমণ একটা দিশা পায়। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় ওকে শুরুতে নামানোর ঝুঁকি নিইনি। পরে নামিয়ে ফল পেয়েছি।’ রঘুর মতে, রক্ষণ ভাল খেলেছে, তবে সেভাবে পরীক্ষিত নয়। আর ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান নিয়ে এখন থেকে ভাবতে নারাজ। ম্যাচ ধরে ধরে এগোনোই লক্ষ্য।

ছবিসুত্র আনন্দবাজার
মহমেডান একাদশ : প্রিয়ন্ত, তন্ময়, টোরে, প্রসেনজিত্ পাল, কামরান, দুয়ারি (রাহুল), বাজ্জো, লাল্টু, প্রসেনজিত্ চক্রবর্তী, জুয়েল (আমিরুল) (রাকেশ), এমেকা।
